দেশ করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা জনগণের পাশে আছেঃ 'বিয়ন্ড দ্যা প্যানডেমিক' এর নবম পর্বে বক্তারা

1189

Published on জুলাই 5, 2020
  • Details Image

৪ জুলাই শনিবার রাত ৮:৩০ মিনিটে করোনাকালীন সংকট নিয়ে বিশেষ ওয়েবিনার 'বিয়ন্ড দ্যা প্যানডেমিক' এর নবম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বরাবরের মতোই পর্বটি সরাসরি প্রচারিত হয় আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে একই সঙ্গে দেখা যায় বিজয় টিভির পর্দায় এবং বিডি নিউজ, সমকাল, ইত্তেফাক, ভোরের কাগজ, বাংলা নিউজ, যুগান্তর, জাগো নিউজ ২৪, বার্তা ২৪ ও সারা বাংলার ফেসবুক পেজে।

এবারের পর্বের আলোচনার বিষয় ‘করোনা সংকট মোকাবিলায় তৃণমূলের ভূমিকা’। এই সঙ্কটে মানুষকে সচেতন করতে আওয়ামী লীগের পদক্ষেপ, করোনা চিকিৎসা নিয়ে গুজব মোকাবেলা, দলের জনপ্রতিনিধিদের জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বার্তা, ঘূর্ণিঝড় আম্পান পূর্বাভাস পাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কি ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে কর্মহীনদের সহায়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী'র বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে যুক্ত হন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, ভোলা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, কক্সবাজার- ২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, খুলনা- ৬ আসনের সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু এবং বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি।

আলোচনায় যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এবং তৃনমূলের নেতা-কর্মীদের সমন্বয় করে রিলিফ কার্যক্রম কমিটি গঠন, রিলিফ প্রদানে সক্রিয় অংশগ্রহন করে আওয়ামী লীগ। সাধারন মানুষকে সচেতন করা থেকে শুরু করে, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা কার্পন্য করেনি। আওয়ামী লীগের দুর্দিনের নেতা-কর্মীরা মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে রিলিফ কার্যক্রম এখন পর্যন্ত পরিচালনা করছেন।

তিনি আরো বলেন, দেশ ও দলের দুর্দিনে আওয়ামী লীগের তৃনমূল কর্মীরা বারবার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সমগ্র আন্দোলন সংগ্রামে আমাদের এই দুর্দিনের নেতা কর্মীরাই সবার আগে এগিয়ে এসেছেন। এবং আমাদের দলীয় জনপ্রতিনিধিরা তৃনমূলের নেতা কর্মীদের সাথে সমন্বয় করে জনগণের পাশে থেকেছে, এখনও আছে। করোনামুক্ত বাংলাদেশ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের তৃনমূলের নেতা কর্মীরা ও জনপ্রতিনিধিরা যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আমার সাংগঠনিক এলাকার উপজেলা ইউনিয়নের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমাদের তৃনমূলের নেতা কর্মীরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়েছে এবং এখনও দিচ্ছে। এছাড়া আমাদের সকল স্তরের জনপ্রতিনিধিরা নিজস্ব এলাকায় সরকারি ও ব্যক্তিগর উদ্যোগ মিলিয়ে মানুষের পাশে থেকেছে। আমরা কেন্দ্র থেকে সবকিছু সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী সারাদেশের তৃনমূলের নেতা কর্মীরা এখন পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের রাজনীতিই হলো অসহায় মানুষের পাশে থাকা, পাশে দাঁড়ানো, মানুষকে সহায়তা করা। আওয়ামী লীগের জন্মলগ্ন থেকে তৃনমূলের নেতা-কর্মীরা সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনায় যুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, 'আপনারা জানেন চট্টগ্রাম ইতিমধ্যে করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, ঢাকার পরেই চট্টগ্রামের অবস্থান। আসলে করোনা মোকাবেলা করার জন্য যে প্রস্তুতি তা কোথাও ছিলো না, স্বাভাবিক কারণে বাংলাদেশে সহ চট্টগ্রামে কোথাও ছিলো না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সুনিপুণ নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করার জন্য যে ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন ইতিমধ্যে তিনি সব গ্রহণ করেছেন।

'চট্টগ্রামে আমরা চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রচুর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছি। প্রথম দিকে মানুষের মাঝে ব্যাপক ধারণা ছিলো, একটা হাসপাতালে কোভিড এবং নন-কোভিড চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব না। সেই ধারণাটা চট্টগ্রামে খুব কাজ করেছিলো। শুরু দিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ৫০ শয্যা নিয়ে আমরা করোনার চিকিৎসা শুরু করেছিলাম, ধীরে ধীরে শয্যা সংখ্যা বাড়তে বাড়তে সেখানে এখন ১৬০ টি শয্যা রয়েছে, সাথে যুক্ত হয়েছে ১০ শয্যার আইসিউ সেবা, চট্টগ্রাম মেডিকেলে ও প্রথমে স্বল্পসংখ্যাক বেড নিয়ে শুরু করলেও এখন সেখানে ১৫০ টি আইসোলেশন সেবাসহ আইসিইউ সেবা চালু হয়েছে। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আরো একাধিক হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার সাথে যুক্ত করা হয়েছে। বেসরকারী হাসপাতাল গুলো সরকারের নির্দেশে এখন সেবা দিচ্ছেন।'

'আমি যেহেতু চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি সেই হিসেবে স্বাভাবিক কারণে আমার উপর নির্ভর করে দলের ভাবমূর্তি, দলের গ্রহণযোগ্যতা এবং পাশাপাশি সরকারের একটা ভাবমুর্তি নির্ভর করে। সেই কারণে আমি প্রথম থেকেই গুরুত্ব দিয়ে, অগ্রাধিকার দিয়ে, আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একদম শুরু থেকে চট্টগ্রামের রাজপথে, চট্টগ্রামে ৪১টি ওয়ার্ডে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুঁটে গিয়েছি।'

ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি বলেন, এই দুর্যোগে যেভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত দ্বীপ জেলা ভোলা বাসীর খোঁজ নিয়েছেন, আমি তার নিকট ভোলা ৪ আসনের জনগণের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। করোনা সংকটের এই মহামারীতে ডাক্তাররা কাজ করে যাচ্ছে, আমি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখছি। আমরা অনেক দূর্যোগ দেখেছি, কিন্তু করোনার মত নতুন দুর্যোগ এই বারেই প্রথম। নতুন এই দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা একেবারে প্রস্তুত ছিলাম না, কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি এই সংকট মোকাবিলায়।'

তিনি বলেন, 'আমরা ছিলাম ঐক্যবদ্ধ জাতি, কিন্তু করোনা শিক্ষা দিয়েছে একে অপরের দূরে থাকার। আমরা চেষ্টা করছি এই সংকট মোকাবিলায়। করোনা সংকটের এই সময়ে আমরা আমাদের নির্বাচনী এলাকায় সরকারের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সাহায্য কার্যক্রম চালিয়েছি কর্মহীন মানুষের জন্য। আমার নির্বাচনী এলাকায় কর্মহীন মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হাজার হাজার মানুষদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে খাদ্য ও আর্থিক সহয়তা দিয়েছি। আমরা উপকূলীয় লোকজন দুর্যোগে যেভাবে সংগ্রাম করে এখানে বেঁচে থাকি তা সবসময়ই আপনারা জানেন । ঘূর্নিঝড় আম্ফানে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি, বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়। ঈদকে সামনে রেখে আমরা কর্মহীন মানুষের বাড়ী বাড়ী খাদ্য ও ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছি। আমি মনে করি দুর্যোগে আওয়ামী লীগের তৃনমূলের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে সব সময় ছিল, থাকবে।'

খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিনের জনপদ পাইকগাছা কয়রায় করোনা শনাক্ত হবার পর থেকে আমরা কাজ করেছি। আজকে এই করোনার সময়ে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা কাজ করে যাচ্ছি আমার দুই উপজেলার নেতাদের নিয়ে। আমরা মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জিনসহ মন্দিরে আমরা সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি। কিন্তু আমাদের ১০টি ইউনিয়ন এখনো আংশিক পানিবন্ধি। ২টি ইউনিয়ন পানিতে আটকে আছে। আমাদের বেড়ীবাদ গুলো অনেক পুরানো। কিন্তু টেকসই বেড়ীবাদ হয় নাই। এবার কয়েক শত কিঃ মিঃ বেড়ীবাধ বিলিন হয়ে যায়, আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ড এর দিকে না তাকিয়ে নিজ উদ্যোগে কাজ করেছি সকলে মিলে। জনগনকে সাথে নিয়ে সংকটের এই দিনে আমরা বেড়িবাঁধ নির্মান করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী কথা দিয়েছেন আমাদের টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মান করে দিবেন। উপকুলের মানুষ ত্রাণ চায় না বেড়িবাঁধ চায়।

কক্সবাজার- ২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরেই উপকূলে সিসি ব্লকের কাজ করা হয়। আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাধ আমরা ইতিমধ্যে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। করোনা মোকাবিলায় আমরা একে অপরের কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেছি। আমাদের প্রত্যেক নেতা-কর্মী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা তৃনমূলের মানুষদের পাশে ছিলাম সবাই মিলে। রোহিঙ্গা সংকটের সময় কক্সবাজারে ছুটে আসেন আমাদের মমতাময়ী নেত্রী তাদের দেখার জন্য। কোভিড-১৯ সেখানে এখন পর্যন্ত ৫২ জন আক্রান্ত্র। সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে আমাদের সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।

আমার নির্বাচনী এলাকায় একটি মানুষও খাদ্য সংকটে থাকবে না। আমি আমার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের নিয়ে টিম ওয়ার্ক করে ত্রাণ কার্জক্রম করে যাচ্ছি। ফ্রন্ট লাইনের যোদ্ধা ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানাই আমাদের দেখবাল করার জন্য। আমরা আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন করেছি । কোভিড-১৯ এর এই সময়ে আমরা লবণ চাষ অব্যাহত রেখেছি, যাতে দেশে কোন লবণের ঘাটতি না হয়।

বাংলাদেশ কৃষক লীগ-এর সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি বলেন, কৃষকদের পাশে আমরা সবসময় আছি এবং থাকবো। ১৯৮৪ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী চলমান রেখেছে বাংলাদেশ কৃষক লীগ সহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন। সারাদেশে মুজিব বর্ষে এক কোটি গাছ লাগাবে বাংলাদেশ কৃষক লীগ।

কোভিড-১৯ এর এই মহামারীর এই সময়ে ২৫ হাজার ৫৩৩ শতক জমির ধান আমাদের কৃষকলীগ এর নেতাকর্মীদের সাহায্যে কাটা হয়। এবং ধানকাটা থেকে শুরু করে ধান ক্রয়ের সাহায্য করেছে আমাদের নেতাকর্মীরা। আমার নির্বাচনী এলাকা গাইবান্ধার পলাশবাড়ী এবং সাদুল্লাপুরে আমি নিয়মিত ভিজিট করেছি, যাতে জনগণ তাদের ত্রাণ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী সঠিকভাবে সবাই সবকিছু পায়। আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে প্রত্যেকের ঘরে ঘরে ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

এর আগে, বিয়ন্ড দ্যা প্যান্ডেমিকের আটটি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ পর্বটি প্রচারিত হয়েছে গত ৩০ জুন। এই পর্বে আলোচকরা করোনা পরবর্তী বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নতুন ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দিপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী ছিলেন এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আলোচক।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত