সেদিনের অকুতোভয় তরুণরাই বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবিঃ বাহালুল মজনুন চুন্নু

পঁচিশে মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদাররা শোষিত ও নির্যাতিত মানুষের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে রক্তের সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতে যে ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর গণহত্যা শুরু করেছিল, মৃত্যু-ধ্বংস-আগুন-আর্তনাদের বীভত্স খেলায় মত্ত হয়ে যে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল, নয় মাস পর তার পরিসমাপ্তি ঘটেছিল ষোলই ডিসেম্বর। লন্ডনের নিউ টাইমস পত্রিকায় সেই সময় বলা হয়েছিল, রক্তই যদি কোনো দেশের স্...

মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে সরকার

২০০৯ সাল হতে পর্যায়ক্রমে মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতার হার মাসিক ৯০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে মাসিক ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে এবং ১০ হাজার টাকা করে বছরে দু’টি উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ২০০৯ সাল হতে ভাতাভোগী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা পর্যায়ক্রমে ১ লক্ষ থেকে বৃদ্ধি করে ২ লক্ষে উন্নীত করা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির সর্বমোট ৭ হাজার ৮শ ৩৮ জন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মৃত যু...

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, এতিম, প্রতিবন্ধী শিশু ও আলেম-ওলামাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইফতার মাহফিল

সোমবার ২১ মে ২০১৮- গণভবনে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, এতিম, প্রতিবন্ধী শিশু ও আলেম-ওলামাদের সাথে ইফতার মাহফিলে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ছবিঃ সাইফুল ইসলাম কল্লোল)

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, টঙ্গীতে কিছু বাড়ি ঠিক করে রাখবিঃ কাজী মোজাম্মেল হক

কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো নৌকায় করে আগরতলা পৌঁছাই ২০ এপ্রিল। তখন সন্ধ্যা। আমার সঙ্গে রূপগঞ্জের মহিউদ্দিন মিলন। রাতে থাকার ব্যবস্থা হলো একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে। পরদিন দেখা সে সময়ের ছাত্র নেতা সৈয়দ রেজাউর রহমানের সঙ্গে। জানতে চাইলাম শেখ ফজলুল হক মনি কোথায় আছেন, কিভাবে তাঁকে পাই। তিনি শ্রীধর ভিলার ঠিকানা দিলেন। গিয়ে মনি ভাইকে পেলাম। সেখানে আরো ছিলেন আ স ম আবদুর...

অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৮ হাজার ফ্ল্যাট নির্মান করবে সরকার

সারাদেশে উপজেলা পর্যায়ে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৮ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার। এ লক্ষ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২ হাজার ২৭৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় ‘প্রতি উপজেলায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্...

যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা, অপমানে তখন মরে যেতে ইচ্ছে করতোঃ যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. আপ্তার আলী

“পাকিস্তান আর্মিদের ক্যাম্প বসেছে বড়লেখা উপজেলাতে। তারিখটা ৩ এপ্রিল ১৯৭১। একটি কাজে বড় ভাইয়ের সঙ্গে যাই উপজেলা সদরে। বাজারের পাশেই মসজিদ। সেখানে তখন ধরে আনা হয় দুই যুবককে। তাদের হাত ও চোখ বাঁধা। পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে আছে রাজাকারেরা। দূরে দাঁড়িয়ে দেখি কী ঘটে? প্রথমে তাদের বেয়নেট দিয়ে খোঁচানো হয়। ‘মাগো’, ‘বাবাগো’- আর্ত চিৎকা...

  • «
  • »