১২ জানুয়ারি ১৯৭২: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন বঙ্গবন্ধু

১২ জানুয়ারি বঙ্গভবনে বিপুল করতালি, জয় বাংলা ও বঙ্গবন্ধু জিন্দাবাদ ধ্বনির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শপথ নেওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে ১১ সদস্যের মন্ত্রিসভার নাম দেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু জাতির জনক ও অবিসংবাদিত নেতা, যার ওপর জনসাধারণের পূর্ণ আস্থা রয়েছে...

প্রথমবার টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু

স্বাধীন দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রায় দেড় মাসের মাথায় নিজের গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায় যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭২ সালের এই দিনটি সপরিবারে নিজের বাড়িতে কাটান তিনি। এর আগে এক বার্তায় পাকিস্তানে অবস্থানরত বাঙালদের দুর্দশা লাঘবে প্রভাব খাটাতে জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া এশীয় সমস্যা সমাধানের চেষ্টা না করার জন্য নিক্সনকে সতর্ক করেন বঙ্গবন্ধু। ...

মুক্তির মহাযাত্রায়

দিল্লিতে ৮ জানুয়ারি ১৯৭২-এর সূর্যোদয় হলো প্রাত্যহিক স্বাভাবিকতায়। সময়ের ব্যবধানে লন্ডনে তখন গভীর রাত। দুই মহাদেশ ভরা অন্ধকার চিরে পিআইএর বিশেষ বিমানটি তখন লন্ডনের পথে। দিল্লির চাণক্যপুরীর ছককাটা সুপ্রশস্ত জনপথ, তাদের সদিচ্ছাবাহী নামফলকের সারি আর সুবিন্যস্ত উদ্যানরাজি কুয়াশার আবরণ থেকে ধীরে ধীরে চোখ মেলল। জনবিরল জনপথে নির্ধারিত ক্রমিকতায় অবতীর্ণ হলো সাইকেল, স্কুটার, ...

বন্দিজীবন, মুক্তির আলো

- সোহরাব হাসান ‘শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এমন ব্যক্তি, যাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা যায় না, এমনকি কল্পনাও করা যায় না। ’ এ রকম মন্তব্যই করেছিলেন ১৯৭২ সালে তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়া বিদেশি সাংবাদিকেরা। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের জেলখানা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে আসার অব্যবহিত পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয়েকজন বিদেশি সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। এর...

মুক্ত দেশে স্বাধীন নেতা

- জেএন দীক্ষিত নিরাপত্তা পরিষদের মিটিং থেকে ২৪ ডিসেম্বর আমি ফিরে এলাম। ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি সকালবেলা আমাদের গোয়েন্দা সূত্র থেকে খবর পেলাম, শেখ মুজিবুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আপাতত জানা যাচ্ছে না এমন এক জায়গায় চলে গেছেন এবং সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার বন্দোবস্ত করছেন। পাকিস্তানি ইন্টারন্যাশনাল কলের ওপর নজরদারি করে এবং অন্যান্য সূত্রের বরাতে ওই দিনই বিকেল ...

জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন

- তোফায়েল আহমেদ বাঙালি জাতির জীবনে দশই জানুয়ারি চিরস্মরণীয় অনন্য ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২- এর এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন করে। যদিও ১৯৭১-এর ষোলোই ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়। কিন্তু বাংলার মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। কারণ, যার নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, তিনি তখনো ...

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস: অন্ধকার থেকে আলোর পথে

বইছিল স্বাধীনতার সুবাতাস। শ্লোগানে মুখরিত চারদিক, আকাশ-বাতাস, জোর গলায় উচ্চারিত হচ্ছে, “জয় বাংলা”, তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর জুড়ে যেন অনুরণিত হয়ে চলেছে, প্রতিধ্বনিতে একাকার হালকা শীতের আমেজময় সেই ঐতিহাসিক ১০ই জানুয়ারী, ১৯৭২ সাল। বেলা দ্বিপ্রহরের পরপরই হাজার দশেকেরও বেশি সদ্য মুক্তির স্বাদ পাওয়া আবেগে উদ্বেলিত বাঙালি সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, যদিও তার...

১০ই জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

আগামী ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি পাকিস্তানের কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী...

‘জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক সেমিনার

আগামী ১৯ মে ২০১৯ রবিবার সকাল ১১ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির উদ্যোগে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য জনাব আমির হোসেন আমু এমপি। আলোচক হিসেব...

শেখ হাসিনা : গণতন্ত্রের মানসকন্যা ও পরিবর্তনের অগ্রদূত

তিনি জাতিকে নতুন এক আশা দিয়েছেন, সেই আশার নাম, রুপকল্প-২০২১, বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করার সেই আশা। তিনি স্বপ্ন দেখিয়েছে সব বাংলাদেশীকে, এক ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন যেখানে সর্বাধুনিক তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি থাকবে। এবং স্বাধীনতার চার দশক পরে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জাতিকে কলংকমুক্ত করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন অনুকরনীয় নেতৃত্ব-খাদ্য নির...

ইতিহাসের মহানায়কের প্রত্যাবর্তনঃ আশরাফ সিদ্দিকী বিটু

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন, জেল-জুলুম অত্যাচার সহ্য করেছেন, বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন কিন্তু কোনোদিন আপস করেননি। তিনি ছিলেন অটল,মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন বাংলাদেশ একদিন স্বাধীন হবেই। তাঁর জীবনের প্রতিটি ক্ষণ, মুহূর্ত আবর্তিত হয়েছে বাংলার জনগণের মুক্তির জন্য; পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন বাংলাদেশে প...

অর্জনে ভরা দেশঃ আরিফুর রহমান

উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রসহ তাবৎ দুনিয়ায় জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকের আরো কয়েকটি ভালো খবর নতুন বছরের শুরুতে জানিয়েছে তারা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগও এই সুখবর নিয়ে সরকারে যাত্রা শুরু কর...

যেদিন ফিরলেন জনগণের নেতাঃ এম নজরুল ইসলাম

আজ সেই অবিস্মরণীয় দিন, যেদিন নতুন সূর্যের আলো গায়ে মেখে বিজয়ী বীরের বেশে দেশে ফিরেছিলেন পিতা। সেদিন তিনি ফিরেছিলেন। নিজের দেশে ফিরলেন তিনি মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে। বাঙালী জাতির হৃদয় ভরিয়ে দিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন যে মহাপুরুষ, যাঁর জন্য অপেক্ষায় ছিল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ। যাঁকে নিয়ে কবি শামসুর রাহমান লিখেছেন, ‘ধন্য সেই পুরুষ,.../ যার নামের ওপর/ কখ...

স্বপ্নের স্বাধীন বাংলায় বঙ্গবন্ধুঃ আশরাফ সিদ্দিকী বিটু

বাঙালী জাতি যখন পাক হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসরদের সঙ্গে প্রাণপণ যুদ্ধে লিপ্ত তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয়া হয়। কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সেলের পাশে কবরও খোঁড়া হয়েছিল। কিন্তু কখনই ভেঙ্গে পড়েননি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১-এর ডিসেম্বর মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে লায়ালপুর থ...

১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

আগামীকাল ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি পাকিস্তানের কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্...

এক পূর্ণতার আকাঙ্ক্ষা ভরা প্রত্যাবর্তন

জহিরুল হক মজুমদারঃ ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম যে আকাঙ্ক্ষাটি বাঙালি জাতির মনে জেগে উঠেছিল তা হচ্ছে প্রিয় নেতাকে ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। তখনও চারদিকে লাশ, কান্না আর স্বজনের খোঁজে হাহাকার। জীবন পুরো মাত্রায় জেগে উঠার সব প্রচেষ্টা শুরু হয়নি। সাঁঝবাতি জ্বলে উঠেনি সব বাড়িতে। বুলেট বিদ্ধ ভাতের হাঁড়ি আর পুড়ে যাওয়া বসতির দিকে বোবা বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকার প্...

অতঃপর মহানায়ক ফিরলেন স্বদেশে: আবদুল মান্নান

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি শনিবার একালের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তানি কারাগার হতে মুক্তি পেয়ে লন্ডন হয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন বলে সাড়ে সাত কোটি বাঙালি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সেই সময় ঢাকা টিভি ছাড়া আর কোন টিভি ছিল না। রাজউক ভবন হতে তা সম্প্রচার হতো। দশ কিলোমিটারের বাইরে তা দেখার কোন সুযোগ ছিল না। খবরের একমাত্র বাহন রেডিও। তখনো একটি রেডিও&...

পিতা যেদিন ফিরে এলেনঃ এম নজরুল ইসলাম

কেমন ছিল ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-এর দিনটি- যেদিন ফিরলেন পিতা মুক্ত স্বদেশে, বিজয়ী বীরের বেশে? সেদিন আকাশে যে সূর্য উঠেছিল সেই সূর্য কি জানত যে, এক মহান পুরুষ ওই আলো গায়ে মেখে বিজয়ীর বেশে নিজের দেশে ফিরবেন, মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে? ফিরলেন তিনি বাঙালীর ভালবাসা ছুঁয়ে। বাঙালী জাতির হৃদয় ভরিয়ে দিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন সেই মহাপুরুষ, যাঁর জন্য অপেক্ষায় ছিল সদ্য স্বাধ...

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশের মাটিতে পা রাখেন দুই দিন পরে ১০ জানুয়ারী। উপস্থিত জনতার ঢলে ভেসে যাচ্ছিল বিমানবন্দর। বিশাল জনসমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন বঙ্গবন্ধু, নাতিদীর্ঘ ভাষনে জাতিকে দেন দিক নির্দেশনা। নিচে পুরো ভাষণটি তুলে ধরা হলো- --- আমি প্রথমে স্মরণ করি আমার বাংলাদ...

গণমানুষের জন্য শেখ হাসিনার লড়াই

সুভাষ সিংহ রায়ঃ ১৯৮১ সালের ১১ মে তারিখে বিশ্বখ্যাত ‘নিউজউইক’ পত্রিকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ‘বক্স আইটেম’ হিসেবে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয় : ১৯৭৫ সালে সামরিক চক্র কর্তৃক ক্ষমতা দখলকালে নিহত পিতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারিণী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য শেখ হাসিনা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ন...

  • «
  • »