উন্নয়নের চাল-চিত্রঃ দ্বিতীয় পর্ব (অর্থনীতি ও বাণিজ্য)

 

বিগত জোট সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি অনেকটাই মুখ থুবড়ে পড়েছিল। কালোবাজারী, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ইত্যাদি বিভিন্ন কারনে দেশের অর্থনীতি পতিত হয়েছিলো ধ্বংসের মুখে। ধ্বংসস্তুপ থেকে তুলে এনে আজ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বিশ্বের কাছে ঈর্ষনীয় হিসেবে তুলে ধরতে এবং মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান সরকারের প্রয়াস প্রশংসার দাবী রাখে। আজ প্রকাশিত হল অর্থনীতি ও বাণিজ্য খাতে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র।

 

২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি, সামরিক বাহিনীর অত্যাচারের প্রতিবাদ প্রতিফলিত হয় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে। বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করে। এই পাঁচ বছরে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার আপ্রান চেষ্টা করেছে এবং সফলতা লাভ করেছে। বিরোধীদলের ধ্বংসের রাজনীতি উপেক্ষা করে জনগন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের তথ্য সকলের কাছে পৌঁছে দিতে আমাদের এই প্রয়াস। আজ আমরা সামাজিক নিরাপত্তা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ খাতে সরকারের উন্নয়নের উপর আলোকপাত করেছি।

উন্নয়নের অর্থনীতিঃ মধ্য আয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ

 

বিশ্বের কোনো দেশে অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি নিরবিচ্ছিন্ন এবং স্থিরভাবে চলে না। বাংলাদেশের অর্থনীতিও এর বাইরে নয়। দুইশ বছরের ইংরেজ শাসন ও সাতাশ বছরের পাকিস্তানি শোষণের জাঁতাকল থেকে তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। সদ্য স্বাধীন দেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড শক্ত করতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিরা তখনো দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে আসীন ছিলো এবং নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে সচেষ্ট হয়েছিলো। স্বাধীনতা লাভের পাঁচ বছরের মাথায় দেশে সামরিক সরকারের উত্থান ঘটে এবং অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়ে। স্বাধীনতার তিন যুগ পরে বঙ্গবন্ধুতনয়া, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা দেশের হাল ধরেন এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে উদ্যোগী হন।

ডিজিটাল বাংলাদেশঃ স্বপ্ন হল সত্যি

 

বাংলাদেশের মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করতে এবং এর মাধ্যমে মানুষের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০০৯ সালে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ২০১৩ সালে এসে আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি দেশ আজ আধুনিকায়নের পথে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে।

TOP