রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন

 

৬ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের উদ্বোধন করেন মোহাম্মদ নাসিম। জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আখতার জাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচিত

 

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি সভাপতি ও মিজানুর রহমান মিজান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সভাপতির ‍নাম ঘোষণা করেন। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রথমে তিন জন মনোনয়নপত্র জমা দিলেও পরে অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান পপলু প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। আর অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সমর্থন দেন মিজানকে। ফলে মিজানও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হলেন তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান।

সম্মেলনের প্রধান বক্তা বি এম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার যখন উন্নয়নের কাজ করছে তখন বিএনপি-জামায়াত জোট দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগকে সংঘবদ্ধ ভাবে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব‍ুল আলম হানিফ বলেন, খালেদা জিয়ার আন্দোলন বাংলার মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছেন। জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে খালেদা জিয়া বিদেশি প্রভূদের কাছে ধরণা দিচ্ছেন। সরকার ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। কিন্তু ধরণা দিয়ে ও ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যূত করা যাবে না।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক এসএম মোস্তফা রশিদী সুজা এমপিসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

সমাবেশে সাংগঠনিক প্রতিবেদন পাঠ করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সাবেক ছাত্রনেতা আশরাফুল ইসলাম। সমাবেশে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নিহত ও মৃত নেতাকর্মীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সম্মেলন উপলক্ষে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিট থেকে মিছিল সহকারে নেতাকর্মীরা সম্মেলন স্থানে আসে। দুপুর গড়াতে গড়াতে সম্মেলন স্থান পূর্ণ হয়ে যায় নেতা-কর্মীদের পদচারণায়।

 

 নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস সভাপতি ও নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

সভাপতি পদে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন, নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান।

সম্মেলনে মোট ২৬৩ জন কাউন্সিলরদের মধ্যে ২৫৫ কাউন্সিলর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

০২ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) কানাইখালী মাঠে দিনব্যাপী সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে রাতে শহরের ভবানীগঞ্জ মোড় সরকারি গণগ্রন্থাগারে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোটগ্রহণ শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অবসর) ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, রাজশাহীর সাবেক সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, ডাক  টেলি যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, শফিকুল ইসলাম শিমুল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাজেদুর রহমান খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আহাদ আলী সরকার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা।

 

সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ শফিকুর রহমান চৌধুরী যুক্তরাজ্যে সফর শেষে সোমবার দেশে ফিরেছেন। সকালে বিমানবন্দরে পৌছলে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগত জানান।

TOP