বাংলা নববর্ষ আগমনে জননেত্রী শেখ হাসিনার বাণী
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আমি সকল বাঙালিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান উৎসব হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। আজকের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের দিনে মনে
পড়ছে ১৪০৮ সালের নববর্ষের অনুষ্ঠানে রমনা বটমূলে বোমা হামলায় নির্মমভাবে নিহতদের কথা। তাঁদের পবিত্রআত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলতে হচ্ছে যে আজ পর্যন্ত ঐ বোমা হামলার বিচার হয়নি।আমি বাংলা ও বাঙালির জীবনে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষের অন্তর্নিহিত বক্তব্যকে অর্থবহ করে তুলতে সাম্প্রদায়িকতা,ধর্মান্ধতা, অরাজকতার বিপরীতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মানব কল্যাণময়ী গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এগিয়েআসার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সকল বাঙালি নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এদিনটি উৎযাপন করে । হতাশা, নৈরাজ্য, গ−ানি, জরা জীর্ণতার জঞ্জাল ফেলে দিয়ে পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতিকেসম্মুখপানে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায়, নতুন ভোরের আলোকচ্ছটায় যা কিছু পুরাতন সব ঝেড়ে ফেলে নবতরজীবনের আহ্বানে আন্দোলিত করে।এবারের নববর্ষ আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছে নবতর সংগ্রামের আহ্বান নিয়ে।আমাদের মনে রাখতে হবে বাঙালির হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে অর্জিত স্বাধীনতাকে সুসংহত করতে হলেবাঙালি সংস্কৃতির প্রতি যে কোন হুমকি এসেছে তা মোকাবেলা করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
সকল মানুষের জীবনে নববর্ষ বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি- এই কামনা করি।
খোদা হাফেজ।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
