Elektronik Sigara জন দুর্ভোগ সৃষ্টির ১২ মার্চের কর্মসূচী প্রত্যাহার করে সংসদে আসুন, বিএনপিকে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

জন দুর্ভোগ সৃষ্টির ১২ মার্চের কর্মসূচী প্রত্যাহার করে সংসদে আসুন, বিএনপিকে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ
৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২, ২৩ মাঘ ১৪১৮

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বিএনপির আগামী ১২ মার্চের 'চলো চলো ঢাকা চলো' কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহবান জানিয়ে বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের 'নতুন ফরমুলা' নিয়ে সংসদে আসুন। কোন দাবি থাকলে তা সংসদে এসে উপস্থাপন করুন। জন দুর্ভোগের কর্মসূচি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করবেন না।

তিনি বলেন, সরকার উৎখাতের এই কর্মসূচিকে দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, গণতন্ত্রকামী মানুষ কোন ভাবেই সমর্থন করে না। এ ষড়যন্ত্রমূলক কর্মসূচি বন্ধ করুন। তা নাহলে এ ধরনের কর্মসূচিকে রাজপথে প্রতিহত করা হবে। হানিফ আজ রোববার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। আগামী ৭ ফেব্র"য়ারির কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি হিসেবে এ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। এ মানবন্ধন রাজধানীর গাবতলী বাসট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে যাত্রাবাড়ী মোড় পর্যন্ত গিয়ে শেষ হবে। বিকেল তিন টা থেকে শুরু হয়ে চারটা পর্যন্ত চলবে।

রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচারের দাবীতে আগামী ৭ ফেব্র"য়ারির মানবন্ধন কর্মসূচিকে সফল করতে দল মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশ গ্রহণের আহবান জানিয়ে মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, এসকল ঘাতকদের বিচার এখন সমস্ত দেশবাসীর দাবী। তাদের বিচার দেশবাসী দেখতে চায়। 'আপনারা আপনাদের পুলিশ, র্যা ব বাদ দিয়ে রাজপথে আসুন' বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিনি একজন সিনিয়ার নেতা। তার মুখে এমন সন্ত্রাসি ও মাস্তানি বক্তব্য জাতি আশা করে না। আমরাও আশা করিনা। এমকে আনোয়ারকে উদ্দেশ্য করে হানিফ বলেন, এমন বক্তব্য বাদ দেন। ক্ষমতায় থেকে বহু সন্ত্রাসী ও মাস্তানি করেছেন। আপনারা আন্দোলনের কথা বলেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাস এক বার পড়ে দেখবেন। আওয়ামী লীগের ইতিহাস আন্দোল সংগ্রামের ইতিহাস।
আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে মাঠ ইজারা দেইনি। আমরা মাঠ ছাড়তে রাজি নই। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানোর সুযোগ দেয়া হবে না। আপনাদের অনেক ছাড় দিয়েছি আর না।
তিনি বলেন, ঢাকা যাতে সন্ত্রসীদের দখলে চলে না যায় এবং জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি না হয় তার জন্য এবং মানুষের নিরাপত্তার জন্য আমরা ঢাকা শহরকে সন্ত্রাসী মুক্ত রাখবো। কর্মসূচির নামে সচল ঢাকাকে অচল করতে চাইলে আওয়ামী লীগ তা মেনে নেবে না।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সফল করার আহবান জানিয়ে বলেন, একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের দাবিতে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ, ১৪ দল সহ সমমনা সবাই সেদিন গাবতলী থেকে ডেমরা পর্যন্ত মানববন্ধন করবে।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, ঢাকা মহানগর ওয়ার্কার্স পর্টির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুকুল চৌধুরী ও শেখ বজলুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সংসদ সদস্য আসলামুল হক আসলাম ও এডভোকেট সানজিদা খানম, মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ, সহ-দপ্তর সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মিলন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনলাইন রেডিও

You are here আর্কাইভ