জোট আমলের বর্বরতা আর হবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় হতাহতের পরিবারকে চেক হস্তান্তর
বুধবার | ১১ এপ্রিল ২০১২ | ২৮ চৈত্র ১৪১৮
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন, ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ যে বর্বরতার সম্মুখীন হয়েছিলেন আগামীতে আর তা হতে হবে না। তিনি গতকাল তার কার্যালয়ে ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে গ্রেনেড হামলায় হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারকে সহায়তার জন্য চেক বিতরণকালে এ কথা বলেন।আওয়ামী লীগের এক জনসভায় এ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া, তার ভাতিজা ও আরও তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েক ডজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও জনসভায় আসা স্থানীয় লোকজন আহত হন।
২০০১ সালের নির্বাচনের পর দেশের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, '১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর মতো তারাও গোটা দেশকে নরকে পরিণত করেছিল।'
তিনি বলেন, 'তারা দেশের জন্য কোনো কাজই করেনি। বরং দেশে হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল এবং প্রখ্যাত আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্মূল করার মিশনে লিপ্ত ছিল।' প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'গ্রেনেড হামলার পর আওয়ামী লীগের যারা আহত হয়েছিলেন তাদের নির্যাতন ও বিএনপি সরকারের রোষানলে পড়তে হয়। এমনকি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও তাদের নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়।' কিবরিয়া হত্যা মামলার তদন্ত চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধীদের অবশ্যই শাস্তি দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী নিহত তিনজনের প্রত্যেকের পরিবারের সদস্যদের হাতে ২ লাখ টাকা ও আহত ৫৪ ব্যক্তির প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক প্রদান করেন। সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম ওয়াহিদ উজ জামান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর সভা পরিচালনা করেন।
টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া মহাপরিকল্পনা অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিবেশগত বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী গতকাল তার কার্যালয়ে এক বৈঠকে কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া মহাপরিকল্পনা অনুমোদনের সময় এ আহবান জানান।সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, এলজিআরডি ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
