Elektronik Sigara আজ ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

আজ ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী
বুধবার | ৯ মে ২০১২ | ২৬ বৈশাখ ১৪১৯

বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়ার আজ তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ওয়াজেদ মিয়ার জন্মস্থান রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও ড. ওয়াজেদের পরিবারের পক্ষ থেকে মিলাদ মাহফিল, কবর জিয়ারত, স্মরণ সভা ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণ করার কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির, বিশেষ অতিথি থাকবেন রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের এমপি আবুল কালাম আজাদ। পরিবারের পক্ষ থেকে ওয়াজেদ মিয়ার স্মৃতিবিজড়িত রাজধানীর ধানমণ্ডির সুধা সদনের বাসায় দিনব্যাপী পবিত্র কোরআনখানি, বাদ আসর মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপী কোরআনখানি, বাদ জোহর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে গতকাল বলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়ার (সুধা মিয়া) তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তিনি বলেন, ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়া তার কর্মের জন্য শুধু আমাদের কাছে নন, ভবিষ্যত্ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উত্স হিসাবে বেঁচে থাকবেন। আমি ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
এছাড়া রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে "ড. ওয়াজেদ মিয়ার জীবন ও কর্ম" শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। রংপুর শহরে ড. ওয়াজেদ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি ও ড. ওয়াজেদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আব্দুল গনি।
উল্লেখ্য, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামে ১৯৪২ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী ড. ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের ৯ মে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে তাকে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের আগে ছাত্রলীগ নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি।
এ কারণে ১৯৬২ সালে গ্রেফতার হন। এরপর থেকে আমৃত্যু মূলত রাজনীতির বাইরেই ছিলেন। তিনি ছিলেন আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান। এ ছাড়া আণবিক শক্তি বিজ্ঞানী সংঘ, পদার্থবিজ্ঞান সমিতি, বিজ্ঞান উন্নয়ন সমিতি, বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানজীবী সমিতি, রংপুর জেলা সমিতি, বঙ্গবন্ধু আদর্শ মূল্যায়ন ও গবেষণা সংসদ এবং জাতীয় সমন্বিত উন্নয়ন ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন প্রতিষ্ঠা ও এসব সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞানে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্যার জগদীস চন্দ্র বসু সোসাইটি তাকে 'স্যার জগদীস চন্দ্র বসু স্বর্ণপদকে' ভূষিত করেছে।
ওয়াজেদ মিয়া ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যকাণ্ডের সময় তিনি জার্মানিতে ছিলেন। এরপর একটানা প্রায় সাত বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফেরেন। কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা হোসেন পুতুল তার দুই সন্তান।

অনলাইন রেডিও

You are here Home