বিএনপি-জামাত জোটদস্যু
সরকারের আমলনামা
তথ্য ও গবেষণা বিভাগ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
বিএনপি-জামাত জোটদস্যু সরকারের আমলনামা
সংকলন ও সম্পাদনা
নূহ-উল-আলম লেনিন
সম্পাদনা সহযোগী
আফজাল হোসেন
আনিস আহমেদ
প্রথম প্রকাশ: ২৭ মে, ২০০৬
প্রকাশ করেছেন
নূহ-উল-আলম লেনিন
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা-১০০০
গ্রন্থস্বত্ব
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
অক্ষর বিন্যাস
তথ্য ও গবেষণা বিভাগ
মূল্য : ৫.০০ (পাঁচ) টাকা মাত্র
বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সাড়ে চার বছরের সংবিধান লংঘন,
দুঃশাসন, হত্যা-সন্ত্রাস, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দুর্নীতি-দলীয়করণ এবং
প্রতিশ্র“তিভঙ্গ ও প্রতারণার বিবরণ
খালেদা-নিজামী জোট সরকারের গত সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন ও অসংখ্য অপরাধের
মধ্যে থেকে আমরা সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ জনগণের আদালতে উত্থাপন করছি।
চারদলীয় জোট ও খালেদা-নিজামী সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতা, সংবিধান লঙ্ঘন, হত্যা, খুন,
সন্ত্রাস, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, দুর্নীতি, দখল, অগিড়বসংযোগ, অস্ত্র চোরাচালান, প্রতারণা,
চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অপহরণ, মানি লন্ডারিং, অঙ্গীকার ভঙ্গ, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ,
কালো টাকা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিনড়ব শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য দায়ী।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের নিুলিখিত ১২০ ক, খ; ৩০২ বিপিসি; ৩০৭ বিপিসি; ১৯
এএনএফ অস্ত্র আইন; ৩২৪/৩২৫, ৩২৬, ৩০২ দ. বি. ৩৭৫/৩৭৬ দ. বি. ৩২৩, ৩২৪,
৩২৫, ৩২৬, ৩৬৪, ৩৬৬; নারী ও শিশু নির্যাতন আইন/২৯০; ৯/(১) (২) (৩) (৪) ক,
খ, গ /৫, ৯ ক, ১০; ৩৮৫ দ. বি.; ৩৭৯/৩৯২, ৩৯৪/৩৯৫/৩৯৬/৩৯৭ দ. বি.
১০৯/১১৪ দ. বি. ৪২০/৪০৭/৪০৮ দ. বি.; মানি লন্ডারিং আইন ৬/৭; বিস্ফোরক দ্রব্য
আইন ৪ প্রভৃতি ধারায় খালেদা জিয়াসহ জোট সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী,
উপদেষ্টা ও সংশি-ষ্ট গডফাদার এবং অন্যান্য অপরাধীদের বিচার হতে পারে। নিচে তাদের
দ্বারা সংঘটিত অপরাধ ও তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমূহের
কিছু নমুনা তুলে ধরা হলো:
অপরাধ ও অভিযোগসমূহ
সংবিধান লঙ্ঘন, গণতন্ত্র হত্যা, অকার্যকর সংসদ
1. ভবিষ্যতে অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন বানচাল এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার, কারচুপি ও
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে ক্ষমতায় পুনর্বহাল হওয়ার উদ্দেশ্যে তত্ত্বাবধায়ক
সরকার সংস্কারের ন্যায়সঙ্গত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান;
2. নির্বাচন কমিশনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার ও আজ্ঞাবাহী করা, নির্বাচনে কালোটাকা ও
পেশিশক্তির ব্যবহারের হীন উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশন সংস্কারের প্রস্তাব গ্রহণ না করা;
3.ভোটাধিকার হরণ : নির্বাচনে কারচুপি-ষড়যন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে
প্রকৃত ফলাফল পাল্টে দেওয়া;
4. জাতীয় সংসদে বিরোধী দলকে কথা বলতে না দেওয়া, সংসদে মিথ্যা কথা বলা এবং
সংসদ অকার্যকর করা এবং গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ;
5. বিরোধী দলের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ১২৪৪টি মুলতবি প্রস্তাব, সংক্ষিপ্ত আলোচনা প্রস্ত
াব ১৩৭টি, সাধারণ আলোচনা ৯১টি এবং প্রধানমন্ত্রীর নিকট ৯২১টি প্রশড়বসহ মোট
৯,৯৫৬টি নোটিশের সবকয়টি বাতিল করে বিরোধী দলকে কথা বলার সুযোগ থেকে
বঞ্চিত এবং সংসদকে কার্যত একদলীয় সংসদে পরিণত করা


