বাংলাদেশের ভবিষ্যতের চালিকাশক্তি: বিদ্যুতের গল্প

 

প্রতিশ্রুতির পূর্ণতা
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটিয় সরকারের গত মেয়াদে (২০০৯ থেকে ২০১৩), ২০০৯ এর নির্বাচনী ইশতেহারের সকল প্রতিশ্রুতিই সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ছিল ৪৯৩১মেগাওয়াট। মাত্র ৫ বছরে এই উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৩৪১মেগাওয়াট, যার ফলে প্রায় ৬২% জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সুবিধা লাভ করে। এই অসামান্য সাফল্য এসেছে সরকারের সার্বিক বিদ্যুৎ ও জ্বালানী নীতির অংশ হিসেবে কিছু দীর্ঘমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে।

কার্যকরী সন্ত্রাস প্রতিরোধের পাঁচ বছর

 

সাম্প্রতিক কালের ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টের সন্ত্রাস বিষয়ক রাষ্ট্রভিত্তিক রিপোর্টে (২০১৩) বাংলাদেশ ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে। এতে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ পেয়েছে বলে স্বীকার করা হয়েছে।

 

২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের তৈরিপোশাক শিল্পের রপ্তানি তিনগুন বৃদ্ধি পাবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে মার্কিন ও ইউরোপীয় ক্রেতাদের সাথে সাথে নতুন ক্রেতারাও এই দেশের বাজারে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক এবং তারা বাংলাদেশকে দ্বিতীয় চীন হিসেবে দেখছে।

 

যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে ট্রেনকে একটি শক্তিশালী গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর মধ্যে অর্ধশত স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। এসব বাস্তবায়নের জন্য একটি খসড়া কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অতি দ্রুত এই কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে রেলওয়ে সূত্র জানায়। এ পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে প্রকল্পভিত্তিক কমিটি গঠন করতে যাচ্ছে সরকার।

TOP