তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃ একটি নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা

 

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশব্যাপী সকল সহিংসতাকে ব্যর্থ করে দিয়ে সাধারণ মানুষ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর নিজেদের আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে। তাই বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও আধুনিকায়ন অব্যাহত রাখতে সরকার একমাসের মধ্যেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিজেকে নিয়োজিত করেছে। দেশের তরুন সমাজ ও তৃণমুল জনপদের কথা মাথায় রেখে সরকার বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

একটি মানবাধিকার সংস্থার ভুমিকা এবং ‘অধিকার’-এর রিপোর্ট

 

যেভাবে শুরুঃ
একটি মানবাধিকার সংস্থা মুলতঃ সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে। দেশে-বিদেশে কোন ঘটনায় মানবাধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষন করে এই সকল বেসরকারী সংস্থা। এলক্ষ্যে তারা সমস্যা চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে। এই তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রকাশনার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে মানবাধিকার লঙ্ঘন রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। যেকোন মানবাধিকার সংস্থার প্রধান দায়িত্ব সেই সত্যকে প্রকাশ করা যা মানুষের অধিকার কে খর্ব করছে।

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরীতা নয়’, এই মতবাদে বিশ্বাসী হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ আজ বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ সমৃদ্ধ একটি সমন্বিত কার্যকর ও সুসংহত পররাষ্ট্র নীতি এবং কুটনৈতিক কুশলতার মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ বিশ্বাঙ্গনে উজ্জ্বল ভাবমূর্তি অর্জন করেছে।

 

দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক দুর্দশা লাঘবে একটি সংহত ও সম্প্রসারিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী অন্যতম হাতিয়ার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষের দুর্দশা লাঘবে রেশন, খোলাবাজারে ভোগ্যপণ্য বিক্রি ও রিলিফ বিতরণ কর্মসুচীর মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসুচী চালু করেন। তাই, রূপকল্প-২০২১ এর অন্যতম লক্ষ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্জনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ও সরকার জাতির পিতার আদর্শিত পথ অনুসরন করছে। ১৯৯৬ সরকারের সময় বৃদ্ধ, দুঃস্থ নারী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ভাতা প্রদান কর্মসূচী চালু করে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্য মুক্ত শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

TOP