যোগাযোগ ব্যবস্থার যুগান্তকারী উন্নয়নে আওয়ামী লীগ

 

প্রত্যাশিত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অনুকূল টেকসই, নিরাপদ ও মানসম্মত সড়ক অবকাঠামো এবং সমন্বিত আধুনিক গণ-পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সড়ক বিভাগ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক নেটওয়ার্কের অবস্থা বর্তমানে যে কোন সময়ের চেয়ে উন্নত। এতে সড়ক বিভাগের উপর জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যমান সড়ক নেটওয়ার্ক আরও উন্নত এবং রুপকল্প-২০২১ এর সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ করার নিমিত্ত সড়ক নেটওয়ার্কের নিয়মিত সংরক্ষণ ও মেরামত এবং সংরক্ষণ ও উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

 

২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারীতে সরকারের দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে দেশের ও দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পুর্ববর্তী সরকারের স্বেচ্ছাচারী শাসন ও দুর্নীতির ফলে সাধারণ মানুষের জীবন হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ। পয়ঃনিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা, জলাবদ্ধতা, বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব ইত্যাদি বিষয়গুলো ছিল অনেক প্রকট। স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ-দুর্নীতির কারনে মেধাবী এবং সুবিধাবঞ্চিত প্রার্থীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এসকল গুরুত্বপুর্ন কিন্তু উপেক্ষিত ক্ষেত্রগুলোতে মনোনিবেশ করে।

 

বর্তমান সরকারের বিগত পাঁচ বছরে বেড়েছে জনশক্তি রপ্তানি, এর সাথে বেড়েছে রেমিট্যান্স। কমেছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার, বৈদেশিক বিনিয়োগ বেড়েছে। কুটির শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে গ্রামীন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

নারীর ক্ষমতায়নঃ অগ্রগতির পথে এক ধাপ

 

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। অর্থাৎ দেশে মোট কর্মক্ষম মানুষের একটি বড় অংশ নারী। বর্তমানে পোশাক শিল্প থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত সকল পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহন লক্ষণীয়। এর সবই সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদার ও নারীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের ফলে। নারীদের নিরাপদ মাতৃত্ব, উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা প্রদান করতে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ লক্ষণীয়।

TOP