শেখ হাসিনার অঙ্গীকারঃ নিরাপদ অভিবাসন

 

আওয়ামী লীগ সরকার শ্রম অভিবাসনকে একটি উদীয়মান খাত হিসেবে চিহ্নিত করে এটিকে জাতীয় এজেন্ডা হিসেবে বিবেচনায় রেখেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে অভিবাসন ব্যবস্থাকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, নিয়মিত ও দায়বদ্ধ করতে অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহন করেছে। সরকার অভিবাসন ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষে স্মার্ট কার্ড প্রবর্তন, বিদেশ থেকে সহজে অর্থ প্রেরণ, শ্রম বাজার গবেষণা সেল গঠন, দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মী সৃষ্টির জন্য প্রশিক্ষণ এবং অভিবাসিদের জন্য স্বাস্থ্য সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। দি ইকনমিস্টের ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে প্রকাশিত ‘মাইগ্রেশন গভর্নেন্স ইনডেক্স ২০১৬’- তে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় পাঁচটির মধ্যে দুটি সূচকে বাংলাদেশ বেশ ভালো করেছে।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

 

বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়াই করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে তখনই ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিসান বেকারী ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গিদের নারকীয় সন্ত্রাসী হামলায় দেশী-বিদেশী নিরপরাধ ২৬ জনসহ ৪ পুলিশ নিহত হয়েছে।

উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিঃ বাংলাদেশের অর্থনীতি, ২০১৫

 

২০১৫ সালে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জনগনের জীবনযাপনের মান বৃদ্ধি ও ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আর্থ-সামাজিক ও মানবউন্নয়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশকে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের টানা দ্বিতীয়বারের মত সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশ যে ব্যাপক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গিয়েছেতার ফলে বাংলাদেশ আজ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।

TOP