বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান
১৭ই র্মাচ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জরে টুঙ্গপিাড়ায় শখে লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বগেমরে ঘরে জন্ম ননে জাতরি জনক বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান। ছয় ভাইবোনরে মধ্যে তনিি ছলিনে তৃতীয়। গোপালগঞ্জ পাবলকি স্কুল ও কলকাতা ইসলাময়িা কলজেে পড়াশনা শষেে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয় থকেে স্নাতক পাশ করনে। ১৮ বছর বয়সে বগেম ফজলিাতুন্নসোর সাথে তাঁর বয়িে হয়। তাদরে ২ ময়েে - শখে হাসনিা ও শখে রহোনা এবং তনি ছলে-ে শখে কামাল, শখে জামাল ও শখে রাসলে।

অল্পবয়স থকেইে তাঁর রাজনতৈকি প্রতভিার প্রকাশ ঘটতে থাক।ে ১৯৪০ সালে তনিি নখিলি ভারত মুসলমি লীগরে ছাত্র সংগঠন নখিলি ভারত মুসলমি ছাত্র ফডোরশেনে যোগ দনে। কট্টরপন্থী এই সংগঠন ছড়েে ১৯৪৩ সালে যোগ দনে উদারপন্থী ও প্রগতশিীল সংগঠন বঙ্গেল মুসলমি লীগ।ে এখানইে সান্নধ্যিে আসনে হুসইেন শহীদ সোহরাওযর়্াদীর। ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়ে থাকাকালীন সময়ে রক্ষণশীল কট্টরপন্থী নখিলি ভারত মুসলমি ছাত্র ফডোরশেনরে র্কতৃত্ব র্খব করতে তনিি প্রতষ্ঠিা করনে র্পূব পাকস্তিান মুসলমি ছাত্র লীগ।

ভাষা আন্দোলনরে সময় রাজনতৈকি নতো হসিবেে অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ ভূমকিা পালন করনে শখে মুজবি। ১৯৪৮ সালে ভাষার প্রশ্নে তাঁর নতেৃত্বইে প্রথম প্রতবিাদ এবং ছাত্র র্ধমঘট শুরু হয় যা চূড়ান্ত রূপ নয়ে ১৯৫২ সালরে ২১ ফব্রেুয়ারতি।ে

পঞ্চাশরে দশক তাঁর রাজনতৈকি উত্থানরে কাল। ধীরে ধীরে তনিি হয়ে উঠনে দূরর্দশীতা এবং প্রজ্ঞাসম্পন্ন এক কুশলী রাজনতৈকি নতো। এসময় শখে মুজবি মুসলমি লীগ ছডে়ে দনে এবং হোসনে সোহরাওযর়্াদী এবং মাওলানা ভাসানীর সাথে মলিে গঠন করনে আওয়ামী মুসলমি লীগ। তনিি দলরে প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নর্বিাচতি হন। ১৯৫৩ সালে তনিি দলরে সাধারণ সম্পাদকরে দায়ত্বি পান। ১৯৫৪ সালরে সাধারণ নর্বিাচনে জয়ী হয়ে যুক্তফ্রন্ট সরকাররে কৃষি মন্ত্রী হন মুজবি। ১৯৫৬ সালে কোয়ালশিন সরকাররে মন্ত্রসিভায় শল্পি ও বাণজ্যি মন্ত্রণালয়রে দায়ত্বি পান তনি।ি
১৯৬৩ সালে হোসনে সোহরাওযর়্াদীর মৃত্যুর পর আওয়ামী মুসলমি লীগরে সভাপতি নর্বিাচতি হন শখে মুজবি। তনিি ছলিনে আইয়ুব খানরে ‌মৌলকি গণতন্ত্র তত্ত্বরে কট্টর সমালোচক। ১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠতি বরিোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মলেনে শখে মুজবিুর রহমান ঐতহিাসকি ৬ দফা দাবি উত্থাপন করনে। এই ছয় দফা ছলি র্পূব পাকস্তিানরে স্বায়ত্ত্বশাসনরে রূপরখো।
মুজবিরে ৬ দফার প্রতি জনগণরে ব্যাপক সর্মথনে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকস্তিানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রপ্তোর শখে মুজবিক।ে এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বাংলার সমস্ত জনগণ। জনরোষরে কাছে নতি স্বীকার করে এক র্পযায়ে তাঁকে মুক্তি দতিে বাধ্য হয় শোষকগোষ্ঠী। ১৯৬৯ সালরে ২৩ ফব্রেুয়ারি ঢাকার রসের্কোস ময়দানে কন্দ্রেীয় ছাত্র সংগ্রাম পরষিদরে উদ্যোগে শখে মুজবিুর রহমানকে গণসর্ম্বধনা দওেয়া হয়৷সখোনইে উত্থাপতি হয় এগার দফা দাবি যার মধ্যে ছয় দফার সবগুলোই দফাই অর্ন্তভুক্ত ছলি। লাখো মানুষরে এই জমায়তেে শখে মুজবিুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধতিে ভূষতি করা হয়৷

১৯৬৯ সালরে ৫ ডসিম্বের আয়োজতি এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শখে মুজবি র্পূব বাংলার নামকরণ করনে 'বাংলাদশে'। তনিি বলনে, "একসময় এদশেরে বুক হইত,ে মানচত্রিরে পৃষ্ঠা হইতে 'বাংলা' কথাটরি র্সবশষে চহ্নিটুকুও চরিতরে মুছয়িা ফলোর চষ্টো করা হইয়াছ।ে ... একমাত্র 'বঙ্গোপসাগর' ছাড়া আর কোন কছিুর নামরে সঙ্গে 'বাংলা' কথাটরি অস্তত্বি খুঁজয়িা পাওয়া যায় নাই। ... জনগণরে পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করতিছে-ি আজ হইতে পাকস্তিানরে র্পূবাঞ্চলীয় প্রদশেটরি নাম র্পূব পাকস্তিানরে পরর্বিতে শুধুমাত্র বাংলাদশে"।

১৯৭০ সালরে ৭ ডসিম্বেরে সাধারণ নর্বিাচনে শখে মুজবিরে নতেৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদশেকি আইনসভায় নরিঙ্কুশ সংখ্যাগরষ্ঠিতা র্অজন কর।ে আওয়ামী লীগ তৎকালীন র্পূব পাকস্তিানে জাতীয় পরষিদরে ১৬৯টি আসনরে মধ্যে ১৬৭টি আসন এবং প্রাদশেকি পরষিদরে ৩১০টি আসনরে মধ্যে ৩০৫টি আসন লাভ কর।ে কন্তিু পশ্চমি পাকস্তিানি শাসকগোষ্ঠী মুজবিরে স্বায়ত্বশাসনরে নীতরি পুরোপুরি বপিক্ষে ছলিো। আওয়ামী লীগরে সরকার গঠন ঠকোতে প্রসেডিন্টে ইয়াহযি়া খান সংসদরে অধবিশেন ডাকা নয়িে টালবাহানা শুরু করনে। শখে মুজবি তখনই বুঝে যান য,ে পশ্চমি পাকস্তিানি শাসকদরে দুঃশাসনরে অবসান ঘটাতে লড়াইয়রে কোনো বকিল্প নইে।

১৯৭১ সালরে ৭ই র্মাচ রসের্কোস ময়দানে এক ঐতহিাসকি ভাষণে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দনে। রসের্কোসরে জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করনে "এবাররে সংগ্রাম আমাদরে মুক্তরি সংগ্রাম, এবাররে সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"। ঐতহিাসকি এ ভাষণে জাতরি জনক বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতকিে শৃংখল মুক্তরি আহ্বান জানয়িে ঘোষণা করনে, "রক্ত যখন দয়িছে,ি রক্ত আরো দবেো। এদশেরে মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্। ... প্রত্যকেে ঘরে ঘরে র্দূগ গড়ে তোলো। যার যা কছিু আছে তাই নয়িইে শত্রুর মোকাবলিা করতে হব"ে।
বঙ্গবন্ধুর ডাকে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা বাংলা। মুজবিরে নতেৃত্বে বাঙ্গালি জাতরি এই জাগরণে ভীত ইয়াহযি়া খান সামরকি আইন জারি করনে, নষিদ্ধি করনে আওয়ামী লীগকে এবং শখে মুজবিকে গ্রপ্তোররে নর্দিশে দনে।

এরপর আসে ২৫ র্মাচ, ১৯৭১। রাতরে অন্ধকারে নরিীহ নরিস্ত্র বাঙালীর ওপর শকুনরে মতো ঝাঁপয়িে পড়ে পাকস্তিানি সনোরা; শুরু করে অপারশেন র্সাচলাইট নামে ইতহিাসরে জঘন্যতম হত্যাকান্ড।অশীতপির বৃদ্ধ থকেে কোলরে শশিু- কউে রক্ষা পায়না পাক হায়নোদরে নারকীয়তা থকে।ে মুজবিকে গ্রপ্তোর করে নযি়ে যাওয়া হয় পশ্চমি পাকস্তিান।ে অবশ্য তার আগইে, পাক বাহনিীর অভযিান শুরু হলে ২৬ র্মাচ প্রথম প্রহরে শখে মুজবিুর রহমান বাংলাদশেরে স্বাধীনতার ঘোষণা দনে এবং জনগণকে র্সবাত্মক আন্দোলনে সামলি হতে আহ্বান জানান।

১৯৭১ সালরে ১৭ই এপ্রলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদশেরে প্রথম সরকার গঠতি হয় এবং শখে মুজবিকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। তাঁর অনুপস্থতিতিে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতরি দায়ত্বি পালন করনে সয়ৈদ নজরুল ইসলাম। এ সরকাররে অধীনইে গঠতি হয় মুক্তবিাহনিী এবং শুরু হয় পাক সনোদরে প্রতহিত করার পালা। র্দীঘ নয় মাসরে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়রে পর, ৩০ লক্ষ বাঙ্গালীর প্রাণরে বনিমিয়ে অবশষেে আসে বজিয়। ১৬ ডসিম্বের সইে সোহরাওর্য়াদী উদ্যান যখোন থকেে স্বাধীনতা সংগ্রামরে ডাক দয়িছেলিনে বঙ্গবন্ধু, সখোনইে বাংলাদশে-ভারত মত্রিবাহনিীর কাছে আত্মসর্মপন করে পাকস্তিানী সনোবাহনিী। পৃথবিীর মানচত্রিে জন্ম নয়ে বাংলাদশে নামরে নতুন একটি দশে।
১৯৭২ সালরে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফরিে আসনে তাঁর প্রয়ি মাতৃভূমতি,ে তাঁর স্বপ্নরে স্বাধীন দশে।ে স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতরি জনককে বরণ করতে লাখো মানুষরে ঢল নামে বমিানবন্দর।ে দশেে ফরিইে যুদ্ধ বধ্বিস্ত দশে পুর্নগঠনে ঝাঁপয়িে পড়নে বঙ্গবন্ধু । মানবকি বর্পিযয় মোকাবলিায় আর্ন্তজাতকি সাহায্যরে আবদেন জানান বঙ্গবন্ধু এবং খুব অল্প সময়রে মধ্যইে সাহায্য আসতে শুরু কর।ে শুরু হয় বাংলাদশে পুর্নগঠনরে এক নতুন যুদ্ধ। এরই মধ্যে সক্রয়ি হয়ে ওঠে স্বাধীনতাবরিোধী একটি চক্র। মুক্তযিুদ্ধরে বরিোধীতাকারী দশেীয় ও আর্ন্তজাতকি চক্ররে প্রত্যক্ষ ইন্ধনে রাজনতৈকি অস্থতিশীলতা সৃষ্টি করতে উঠপেড়ে লাগে এই চক্রট।ি এসময় বঙ্গবন্ধু বুঝতে পারনে, রাজনতৈকি স্থতিশিীলতা ছাড়া দশেরে উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১৯৭৪ সালে তনিি সকল রাজনতৈকি দলকে এক ছাতার নীচে আনতে প্রতষ্ঠিা করনে বাংলাদশে কৃষক শ্রমকি আওয়ামী লীগ বা 'বাকশাল'। একই সাথে অন্যান্য সকল রাজনতৈকি দলকে নষিদ্ধি করা হয়। উল্লখ্যে, প্রথম যে দলটি নষিদ্ধি করা হয় তার নাম বাংলাদষে আওয়াশী লীগ, শখে মুজবিরে নজিরে দল।
এর ফলে দশেে স্থতিশিীলতা আসতে শুরু কর।ে সমস্ত দশে যখন ক্ষয়ক্ষতি কাটয়িে উঠে ঘুরে দাঁড়াচ্ছলি, ঠখি তখনই আসে আরকেটি আঘাত।

১৯৭৫ সালরে ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে একদল বপিথগামী সনো র্কমর্কতা হত্যা করে শখে মুজবি এবং তাঁর পরবিাররে সদস্যদরে। কবেল তাঁর দুই মযে়ে শখে হাসনিা ও শখে রহোনা সইে সময় দশেরে বাইরে থাকায় বঁেচে যান। সদ্য স্বাধীন জাতরি জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি নয়িে আসে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড, তরৈি করে রাজনতৈকি শূণ্যতা, ব্যাহত হয় গণতান্ত্রকি উন্নয়নরে ধারা।
১৭ই র্মাচ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জরে টুঙ্গপিাড়ায় শখে লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বগেমরে ঘরে জন্ম ননে জাতরি জনক বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান। ছয় ভাইবোনরে মধ্যে তনিি ছলিনে তৃতীয়। গোপালগঞ্জ পাবলকি স্কুল ও কলকাতা ইসলাময়িা কলজেে পড়াশনা শষেে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয় থকেে স্নাতক পাশ করনে। ১৮ বছর বয়সে বগেম ফজলিাতুন্নসোর সাথে তাঁর বয়িে হয়। তাদরে ২ ময়েে - শখে হাসনিা ও শখে রহোনা এবং তনি ছলে-ে শখে কামাল, শখে জামাল ও শখে রাসলে।

অল্পবয়স থকেইে তাঁর রাজনতৈকি প্রতভিার প্রকাশ ঘটতে থাক।ে ১৯৪০ সালে তনিি নখিলি ভারত মুসলমি লীগরে ছাত্র সংগঠন নখিলি ভারত মুসলমি ছাত্র ফডোরশেনে যোগ দনে। কট্টরপন্থী এই সংগঠন ছড়েে ১৯৪৩ সালে যোগ দনে উদারপন্থী ও প্রগতশিীল সংগঠন বঙ্গেল মুসলমি লীগ।ে এখানইে সান্নধ্যিে আসনে হুসইেন শহীদ সোহরাওযর়্াদীর। ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়ে থাকাকালীন সময়ে রক্ষণশীল কট্টরপন্থী নখিলি ভারত মুসলমি ছাত্র ফডোরশেনরে র্কতৃত্ব র্খব করতে তনিি প্রতষ্ঠিা করনে র্পূব পাকস্তিান মুসলমি ছাত্র লীগ।

ভাষা আন্দোলনরে সময় রাজনতৈকি নতো হসিবেে অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ ভূমকিা পালন করনে শখে মুজবি। ১৯৪৮ সালে ভাষার প্রশ্নে তাঁর নতেৃত্বইে প্রথম প্রতবিাদ এবং ছাত্র র্ধমঘট শুরু হয় যা চূড়ান্ত রূপ নয়ে ১৯৫২ সালরে ২১ ফব্রেুয়ারতি।ে

পঞ্চাশরে দশক তাঁর রাজনতৈকি উত্থানরে কাল। ধীরে ধীরে তনিি হয়ে উঠনে দূরর্দশীতা এবং প্রজ্ঞাসম্পন্ন এক কুশলী রাজনতৈকি নতো। এসময় শখে মুজবি মুসলমি লীগ ছডে়ে দনে এবং হোসনে সোহরাওযর়্াদী এবং মাওলানা ভাসানীর সাথে মলিে গঠন করনে আওয়ামী মুসলমি লীগ। তনিি দলরে প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নর্বিাচতি হন। ১৯৫৩ সালে তনিি দলরে সাধারণ সম্পাদকরে দায়ত্বি পান। ১৯৫৪ সালরে সাধারণ নর্বিাচনে জয়ী হয়ে যুক্তফ্রন্ট সরকাররে কৃষি মন্ত্রী হন মুজবি। ১৯৫৬ সালে কোয়ালশিন সরকাররে মন্ত্রসিভায় শল্পি ও বাণজ্যি মন্ত্রণালয়রে দায়ত্বি পান তনি।ি
১৯৬৩ সালে হোসনে সোহরাওযর়্াদীর মৃত্যুর পর আওয়ামী মুসলমি লীগরে সভাপতি নর্বিাচতি হন শখে মুজবি। তনিি ছলিনে আইয়ুব খানরে ‌মৌলকি গণতন্ত্র তত্ত্বরে কট্টর সমালোচক। ১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠতি বরিোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মলেনে শখে মুজবিুর রহমান ঐতহিাসকি ৬ দফা দাবি উত্থাপন করনে। এই ছয় দফা ছলি র্পূব পাকস্তিানরে স্বায়ত্ত্বশাসনরে রূপরখো।
মুজবিরে ৬ দফার প্রতি জনগণরে ব্যাপক সর্মথনে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকস্তিানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রপ্তোর শখে মুজবিক।ে এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বাংলার সমস্ত জনগণ। জনরোষরে কাছে নতি স্বীকার করে এক র্পযায়ে তাঁকে মুক্তি দতিে বাধ্য হয় শোষকগোষ্ঠী। ১৯৬৯ সালরে ২৩ ফব্রেুয়ারি ঢাকার রসের্কোস ময়দানে কন্দ্রেীয় ছাত্র সংগ্রাম পরষিদরে উদ্যোগে শখে মুজবিুর রহমানকে গণসর্ম্বধনা দওেয়া হয়৷সখোনইে উত্থাপতি হয় এগার দফা দাবি যার মধ্যে ছয় দফার সবগুলোই দফাই অর্ন্তভুক্ত ছলি। লাখো মানুষরে এই জমায়তেে শখে মুজবিুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধতিে ভূষতি করা হয়৷

১৯৬৯ সালরে ৫ ডসিম্বের আয়োজতি এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শখে মুজবি র্পূব বাংলার নামকরণ করনে 'বাংলাদশে'। তনিি বলনে, "একসময় এদশেরে বুক হইত,ে মানচত্রিরে পৃষ্ঠা হইতে 'বাংলা' কথাটরি র্সবশষে চহ্নিটুকুও চরিতরে মুছয়িা ফলোর চষ্টো করা হইয়াছ।ে ... একমাত্র 'বঙ্গোপসাগর' ছাড়া আর কোন কছিুর নামরে সঙ্গে 'বাংলা' কথাটরি অস্তত্বি খুঁজয়িা পাওয়া যায় নাই। ... জনগণরে পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করতিছে-ি আজ হইতে পাকস্তিানরে র্পূবাঞ্চলীয় প্রদশেটরি নাম র্পূব পাকস্তিানরে পরর্বিতে শুধুমাত্র বাংলাদশে"।

১৯৭০ সালরে ৭ ডসিম্বেরে সাধারণ নর্বিাচনে শখে মুজবিরে নতেৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদশেকি আইনসভায় নরিঙ্কুশ সংখ্যাগরষ্ঠিতা র্অজন কর।ে আওয়ামী লীগ তৎকালীন র্পূব পাকস্তিানে জাতীয় পরষিদরে ১৬৯টি আসনরে মধ্যে ১৬৭টি আসন এবং প্রাদশেকি পরষিদরে ৩১০টি আসনরে মধ্যে ৩০৫টি আসন লাভ কর।ে কন্তিু পশ্চমি পাকস্তিানি শাসকগোষ্ঠী মুজবিরে স্বায়ত্বশাসনরে নীতরি পুরোপুরি বপিক্ষে ছলিো। আওয়ামী লীগরে সরকার গঠন ঠকোতে প্রসেডিন্টে ইয়াহযি়া খান সংসদরে অধবিশেন ডাকা নয়িে টালবাহানা শুরু করনে। শখে মুজবি তখনই বুঝে যান য,ে পশ্চমি পাকস্তিানি শাসকদরে দুঃশাসনরে অবসান ঘটাতে লড়াইয়রে কোনো বকিল্প নইে।

১৯৭১ সালরে ৭ই র্মাচ রসের্কোস ময়দানে এক ঐতহিাসকি ভাষণে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দনে। রসের্কোসরে জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করনে "এবাররে সংগ্রাম আমাদরে মুক্তরি সংগ্রাম, এবাররে সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"। ঐতহিাসকি এ ভাষণে জাতরি জনক বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতকিে শৃংখল মুক্তরি আহ্বান জানয়িে ঘোষণা করনে, "রক্ত যখন দয়িছে,ি রক্ত আরো দবেো। এদশেরে মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্। ... প্রত্যকেে ঘরে ঘরে র্দূগ গড়ে তোলো। যার যা কছিু আছে তাই নয়িইে শত্রুর মোকাবলিা করতে হব"ে।
বঙ্গবন্ধুর ডাকে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা বাংলা। মুজবিরে নতেৃত্বে বাঙ্গালি জাতরি এই জাগরণে ভীত ইয়াহযি়া খান সামরকি আইন জারি করনে, নষিদ্ধি করনে আওয়ামী লীগকে এবং শখে মুজবিকে গ্রপ্তোররে নর্দিশে দনে।

এরপর আসে ২৫ র্মাচ, ১৯৭১। রাতরে অন্ধকারে নরিীহ নরিস্ত্র বাঙালীর ওপর শকুনরে মতো ঝাঁপয়িে পড়ে পাকস্তিানি সনোরা; শুরু করে অপারশেন র্সাচলাইট নামে ইতহিাসরে জঘন্যতম হত্যাকান্ড।অশীতপির বৃদ্ধ থকেে কোলরে শশিু- কউে রক্ষা পায়না পাক হায়নোদরে নারকীয়তা থকে।ে মুজবিকে গ্রপ্তোর করে নযি়ে যাওয়া হয় পশ্চমি পাকস্তিান।ে অবশ্য তার আগইে, পাক বাহনিীর অভযিান শুরু হলে ২৬ র্মাচ প্রথম প্রহরে শখে মুজবিুর রহমান বাংলাদশেরে স্বাধীনতার ঘোষণা দনে এবং জনগণকে র্সবাত্মক আন্দোলনে সামলি হতে আহ্বান জানান।

১৯৭১ সালরে ১৭ই এপ্রলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদশেরে প্রথম সরকার গঠতি হয় এবং শখে মুজবিকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। তাঁর অনুপস্থতিতিে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতরি দায়ত্বি পালন করনে সয়ৈদ নজরুল ইসলাম। এ সরকাররে অধীনইে গঠতি হয় মুক্তবিাহনিী এবং শুরু হয় পাক সনোদরে প্রতহিত করার পালা। র্দীঘ নয় মাসরে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়রে পর, ৩০ লক্ষ বাঙ্গালীর প্রাণরে বনিমিয়ে অবশষেে আসে বজিয়। ১৬ ডসিম্বের সইে সোহরাওর্য়াদী উদ্যান যখোন থকেে স্বাধীনতা সংগ্রামরে ডাক দয়িছেলিনে বঙ্গবন্ধু, সখোনইে বাংলাদশে-ভারত মত্রিবাহনিীর কাছে আত্মসর্মপন করে পাকস্তিানী সনোবাহনিী। পৃথবিীর মানচত্রিে জন্ম নয়ে বাংলাদশে নামরে নতুন একটি দশে।
১৯৭২ সালরে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফরিে আসনে তাঁর প্রয়ি মাতৃভূমতি,ে তাঁর স্বপ্নরে স্বাধীন দশে।ে স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতরি জনককে বরণ করতে লাখো মানুষরে ঢল নামে বমিানবন্দর।ে দশেে ফরিইে যুদ্ধ বধ্বিস্ত দশে পুর্নগঠনে ঝাঁপয়িে পড়নে বঙ্গবন্ধু । মানবকি বর্পিযয় মোকাবলিায় আর্ন্তজাতকি সাহায্যরে আবদেন জানান বঙ্গবন্ধু এবং খুব অল্প সময়রে মধ্যইে সাহায্য আসতে শুরু কর।ে শুরু হয় বাংলাদশে পুর্নগঠনরে এক নতুন যুদ্ধ। এরই মধ্যে সক্রয়ি হয়ে ওঠে স্বাধীনতাবরিোধী একটি চক্র। মুক্তযিুদ্ধরে বরিোধীতাকারী দশেীয় ও আর্ন্তজাতকি চক্ররে প্রত্যক্ষ ইন্ধনে রাজনতৈকি অস্থতিশীলতা সৃষ্টি করতে উঠপেড়ে লাগে এই চক্রট।ি এসময় বঙ্গবন্ধু বুঝতে পারনে, রাজনতৈকি স্থতিশিীলতা ছাড়া দশেরে উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১৯৭৪ সালে তনিি সকল রাজনতৈকি দলকে এক ছাতার নীচে আনতে প্রতষ্ঠিা করনে বাংলাদশে কৃষক শ্রমকি আওয়ামী লীগ বা 'বাকশাল'। একই সাথে অন্যান্য সকল রাজনতৈকি দলকে নষিদ্ধি করা হয়। উল্লখ্যে, প্রথম যে দলটি নষিদ্ধি করা হয় তার নাম বাংলাদষে আওয়াশী লীগ, শখে মুজবিরে নজিরে দল।
এর ফলে দশেে স্থতিশিীলতা আসতে শুরু কর।ে সমস্ত দশে যখন ক্ষয়ক্ষতি কাটয়িে উঠে ঘুরে দাঁড়াচ্ছলি, ঠখি তখনই আসে আরকেটি আঘাত।

১৯৭৫ সালরে ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে একদল বপিথগামী সনো র্কমর্কতা হত্যা করে শখে মুজবি এবং তাঁর পরবিাররে সদস্যদরে। কবেল তাঁর দুই মযে়ে শখে হাসনিা ও শখে রহোনা সইে সময় দশেরে বাইরে থাকায় বঁেচে যান। সদ্য স্বাধীন জাতরি জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি নয়িে আসে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড, তরৈি করে রাজনতৈকি শূণ্যতা, ব্যাহত হয় গণতান্ত্রকি উন্নয়নরে ধারা।

Sheikh Hasina

Sheikh Hasina - 2009শেখ হাসিনার জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসার পাঁচ সন্তানের মধ্যে সবার বড় তিনি। ১৯৬৮ সালে খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার সাথে বিয়ে হয় তাঁর।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভয়াল রাত্রিতে সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু নিহত হলেও তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে থাকায় বেঁচে যান তিনি ও তাঁর বোন শেখ রেহানা। পরবর্তী ৬ বছর লন্ডন ও দিল্লিতে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয় তাদের দু'বোনকেই।

১৯৮১ সালে তাঁর অনুপস্থিতিতেই সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সেই বছরের ১৭ই মে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। তিনিই প্রথম জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধ আওয়াজ তুলেন। তাঁরই নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু করে যার ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন ঘটে।

দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবার পর ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বৃহত্তম বিরোধীদল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তিনি সবসময় সোচ্চার ছিলেন বিএনপি সরকারের দুঃশাসন আর নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে। অক্লান্ত আন্দোলনের মুখে তৎকালীন বিএনপি সরকার বাধ্য হয় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন দিতে।

১৯৯৬ সালের ১২ই জুন অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় আওয়ামী লীগ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে। তাঁর সরকারের অন্যতম সাফল্য ছিল পার্বত্য শান্তি চুক্তি। যুগ যুগ ধরে চলে আসা পাহাড়ি-বাঙালি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধে স্বাক্ষরিত হয় এই শান্তি চুক্তি। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি এই সরকারের অন্যতম আরেকটি সাফল্য।

২০০১ সালে দেশের দেশের ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত নীলনকশার নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দেয়া। সরকার গঠন করে বিএনপি-জামায়াতের ৪ দলীয় জোট আর এবং দ্বিতীয় বারের মতো বিরোধীদলীয় নেত্রী নির্বাচিত হন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা সহ বেশ কয়েকবার তাঁকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তবে সব অপচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিয়ে জোট সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন শেখ হাসিনা।

এরপর আসে ১/১১। তথাকথতি তত্ত্বাবধায়ক সরকাররে ২ বছরের শাসনামলে গ্রেপ্তার করা হয় জননেত্রী শেখ হাসিনা। রাজনীতিতে সৃষ্টি হয় নেতৃত্বশুণ্যতা; হুমকি মুখে পড়ে দেশের গণতন্ত্র। গণরোষের মুখে এক পর্যায়ে তাঁকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকার। বিরাজমান গণতন্ত্রের সঙ্কট কাটিয়ে ২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। গণতন্ত্রের নতুন এ সন্ধিক্ষনে দ্বিতীয় বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন জননেত্রী শেখ হাসিনা। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের নতুন এক যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ।

সুযোগ্য নেতৃত্ব এবং অসাধারণ ধীশক্তির স্বীকৃতি হিসেবে বহু আন্তর্জাতিক পুরষ্কার এ সম্মাননা অর্জন করেছেন শেখ হাসিনা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • সম্মানসূচক ডক্টর অব ল, ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান
  • ডক্টর অব লিবারেল আর্টস, এবারেট ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য
  • দেশিকাত্তোম, বিশ্বভারতী, ভারত
  • সম্মানসূচক ডক্টর অব ল, অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া
  • সম্মানসূচক ডক্টর অব হিউমান লেটার্স, ব্রিজপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য
  • সম্মানসূচক ডক্টর অব ল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • ফেলিক্স হোফে বোইনি শান্তি পুরষ্কার
  • পার্ল এস বাক পদক, ম্যাকন উইমেনস কলেজ, যুক্তরাষ্ট্র
  • মাদার তেরেসা পদক
  • পল হ্যারিস ফেলো, আন্তর্জাতিক রোটারি ফাউন্ডেশন

Activities

A wonderful serenity has taken possession of my entire soul, like these sweet mornings of spring which I enjoy with my whole heart. I am alone, and feel the charm of existence in this spot, which was created for the bliss of souls like mine.

I am so happy, my dear friend, so absorbed in the exquisite sense of mere tranquil existence, that I neglect my talents. I should be incapable of drawing a single stroke at the present moment; and yet I feel that I never was a greater artist than now.

When, while the lovely valley teems with vapour around me, and the meridian sun strikes the upper surface of the impenetrable foliage of my trees, and but a few stray gleams steal into the inner sanctuary, I throw myself down among the tall grass by the trickling stream; and, as I lie close to the earth, a thousand unknown plants are noticed by me: when I hear the buzz of the little world among the stalks, and grow familiar with the countless indescribable forms of the insects and flies, then I feel the presence of the Almighty, who formed us in his own image.

TOP