বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে মুক্তি

Impunity-BN

বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে মুক্তি পেতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ এ সংঘটিত গত শতাব্দীর অন্যতম নিকৃষ্ট রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, যাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পরিবারের প্রায় সব সদস্য নিহত হন, এর বিচার শেষ করেছেন। এই প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৯৯৬ সালে যখন খুনীদের অব্যাহতি দেয়া কুখ্যাত ইনডেমনিটি আদেশ সংসদে বাতিল করা হয়। ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ৫ জন খুনীকে দন্ডাদেশ দেওয়ার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

শেখ হাসিনার সরকার তার অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যে ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন, যাতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আল-বদর এবং আল-শামসদের দ্বারা সংঘটিত মানবতা বিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ এই বিচার কাজের জন্য ট্রাইবুনাল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। প্রথম অভিযোগ গঠন হয় ২০১০ সালে। এই ট্রাইব্যুনাল এ পর্যন্ত ১১ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীকে দন্ড দিয়েছে যারা মৃত্যুদন্ড পেয়েছে বা কারাভোগ করছে। প্রতিটি রায় কার্যকরের পূর্বে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে রিভিউ করা হয়েছে। এই অপরাধে অভিযুক্ত আরো প্রচুর অপরাধী রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পদক্ষেপ প্রথম নিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭২ সালে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পরে এই বিচার স্থগিত হয়ে যায় ও হাজার হাজার অভিযুক্ত মুক্তি পায়।

Share this
TOP