রাজশাহীতে গমের বাম্পার ফলনের আশাবাদ

 

চলতি মৌসুমে জেলায় বিশেষ করে বরেন্দ্র এলাকায় গমের বাম্পার ফলনের ব্যাপারে অঞ্চলের কৃষিবিদ, চাষী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছেন।

আঞ্চলিক গম গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ইসরাইল হোসেন বাসস’কে বলেন, এ বছর যথাসময়ে বীজ বপণ এবং শীত গম চাষে ইতিবাচক বলে মনে করা হচ্ছে।
ড. ইসমাইল হোসেন আরো বলেন, বরেন্দ্র এলাকার চাষীরা এ বছর আরো নতুন নতুন জমিতে গম চাষ করেছেন। গম চাষে সেচ কম লাগায় খরচ তুলনামূলক কম। গম গবেষণা কেন্দ্র থেকে এ বছর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গম চাষের জন্য চাষীদেরকে ২৪ ধরনের গম বীজ সরবরাহ করা হয়েছে।
অতি সম্প্রতি আরো ৬ ধরনের গম বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে প্রদীপ, বিজয়, শতাব্দী ও বারিগম-২৬ রয়েছে। এ সকল জাতের গমের পোকার আক্রমণ কম হয়। ফলে ফলন ভাল হয়।
ড. ইসরাইল আরো বলেন, এ বছর তারা বরেন্দ্র এলাকায় চলতি মৌসুমে সর্বশেষ জাতের গম বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে প্রদর্শনী প্লট করেছেন। চাষীরা এ বছর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে গম চাষ করেছে।
রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ বছর ১ দশমিক ৭০ লাখ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। চাষীরা ১.৭৫ লাখ হেক্টর জমিতে গম চাষ করেছে।
অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক নুরুজ্জামান মন্ডল বলেন, ভাল ফলনের জন্য ভাল বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশে গমের মোট চাহিদা রয়েছে ৪০ লাখ টন। অথচ বাংলাদেশে গম উৎপাদন হয় ১০ লাখ মেট্রিক টন।

TOP