জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে সংবর্ধনা দিতে রাজধানীর পথে জড়ো হয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা।

 

পদ্মা সেতুর অগ্রগতি বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এরকম খরস্রোতা নদীতে (পদ্মায়) সুপারস্ট্রাকচার করা বিরাট চ্যালেঞ্জ। অনেকেই সন্দিহান ছিল। আল্লাহর রহমতে আমরা করেছি। ওবায়দুল কাদের স্প্যান বসানোর উদ্বোধনে দেরি করতে চেয়েছিল। আমি বলেছি- না। এটা নিয়ে অনেক কিছু হয়েছে। অনেক মানুষকে অপমানিত হতে হয়েছিল। এক সেকেন্ডও দেরি করবো না। আমেরিকান সময় ৩টার দিকে ম্যাসেজ পেলাম সুপারস্ট্রাকচার বসেছে। আমি ছবি চাইলাম। ওই ছবি দেখে আমরা দুইবোন কেঁদেছি। অনেক অপমানের জবাব দিতে পারলাম।’

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির সঙ্গে কোন রাজনৈতিক সমঝোতার কথা নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন এ ধরনের প্রস্তাব নিয়ে না আসে।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের রাখাইনে জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহনের জন্য জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থায়নের ঘাটতি মোকাবেলায় বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। কারণ এলক্ষ্যে সম্পদের যোগান দেয়া সরকারগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল এখানে আমেরিকার শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ তৈরি করতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে (আইওএম) আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন প্রশ্নে আইনগতভাবে সম্পাদিত দৃঢ় ও কার্যকর বৈশ্বিক চুক্তিগুলোকে সামনে এনে সুবিচার নিশ্চিত করতে এবং তাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের জন্য উন্নত দেশগুলোর নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

TOP