মাত্র তিন বছরেই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন রাজশাহীর জিয়াউল হক। আর এটা সম্ভব হয়েছে ‘ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র’ স্থাপনের মধ্য দিয়ে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদানকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন তিনি। আর এখন এই কাজের মাধ্যমে তিনি প্রতি মাসেই সন্তোষজনক আয় করছেন।

 

শিক্ষা ক্ষেত্রে এ্যাকসেস টু ইনফরমেশন দ্বারা উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষা দান ও শিক্ষা গ্রহণ কে শিক্ষক শিক্ষার্থী উভয়ের কাছে আরো বেশি কার্যকরী ও আনন্দদায়ক করে তোলা। এ্যাকসেস টু ইনফরমেশন শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্নিমাণে একটি ত্রিমুখী পদ্ধতি অনুসরণ করেছে ঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে মাল্টিমিডিয়া শ্রেনীকক্ষ স্থাপন করা, শিক্ষকদের তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে সহজে বোধগম্য হয় না, এমন বিষয়ে পাঠদানের উপাদান তৈরি করতে প্রশিক্ষণ দেয়া এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ের সাথে সাথে কারীগরি, বৃত্তিমূলক ও মাদ্রাসার পাঠ্যবইয়েরও ইলেক্ট্রনিক সংস্করণ তৈ্রি করা। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্নিমাণের অংশ হিসেবে, এ্যাকসেস টু ইনফরমেশন সরকারি-ব্যক্তিগত মালিকানা ব্যবস্থার মাধ্যমে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫০০ টি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষ স্থাপন এবং প্রায় ৪৫০০ শিক্ষকদের পাবলিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর ৪০০ প্রশিক্ষক দ্বারা প্রশিক্ষণ দেয়া সম্পন্ন করেছে।

 

“যদিও আমি দীর্ঘদিন ধরে পিঠের ব্যথায় ভুগছি, আমি অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারিনি।ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দ্বারা আমি অনেক উপকৃ্ত হয়েছি। আমার পিঠের ব্যথা ধীরে ধীরে কমে আসছে। আমি ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের প্রতি কৃ্তজ্ঞ”- কথাগুলো বলছিলেন ৬৫ বছর বয়স্ক জামালপুর জেলার মেলানদহ উপজেলার ফুলকোছা ইউনিয়নের একজন বৃদ্ধ ভিক্ষুক

 

মোঃ মিনারুল ইসলাম মহাজনপুর ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র, মুজিবনগর উপজেলা, মেহেরপুর জেলা এর উদ্যোক্তা। তিনি ২০১০ সালে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে যোগদান করেন। তিনি ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র

TOP