বাঙালি জাতিসত্তাকে অমর করেছেন বঙ্গবন্ধু

খাজা খায়ের সুজনঃ ‘জাতীয়তাবাদ একটি আদর্শ, যেখানে জাতিকে মানব সমাজের কেন্দ্রীয় অবস্থানে স্থাপন করা হয় এবং অন্যান্য সামাজিক ও রাজনৈতিক আদর্শকে জাতিগত আদর্শের পরে স্থান দেওয়া হয়।’ (সূত্র: উইকিপিডিয়া) এখন বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিচার করা হয় সাধারণত বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য বিশেষত ভাষা এবং সংস্কৃতির ওপর নির্ভর করে। ৪৭ এর পরে এসে রাজনৈতিকভাবেও বেশ কিছু প্রভাব স...

বঙ্গবন্ধুর সরকার পরিচালনা ১৯৭২-১৯৭৫

মুনতাসীর মামুনঃ একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের স্বপ্ন, বাংলাদেশে বসবাসকারী অনেকে দেখেছেন বহুদিন। অতীতে অনেকে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে চেয়েছেন, যদিও তারা বাঙালি ছিলেন না। গত শতকের গত ৪০ বছরেও অনেকে সে-ভূখণ্ডের কথা বলেছেন, ভারত ভাগ হওয়ার সময় সে-পরিকল্পনাও একবার হয়েছিল। গত শতকের ষাটের দশকে মওলানা ভাসানীও বাঙালিদের জন্য স্বাধীন ভূখণ্ডের কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে সেই...

দল গোছানোর কাজে বঙ্গবন্ধুর জেলায় জেলায় ভ্রমণ এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তা

শেখ মুজিবুর রহমানের জেলজীবন গণনা করা হয়েছে। তিনি মোট ১৪ বছর জেল খেটেছেন। তার রাজনৈতিক ভ্রমণ কি গণনা করা হয়েছে? ওই ১৯৪০ সাল থেকে যখন তিনি তরুণ ছাত্রনেতা, মাত্র নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদান করেছেন তখন থেকে ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ঠিক কতশত মাইল ভ্রমণ করেছেন, এর কোনো হিসাব কি আছে? একজন মানুষ কতটা কর্মতৎপর হলে এমনটা হতে পারেন, তা ভাবলে বি...

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ কেন অনিবার্য

এম. নজরুল ইসলামঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন রাজনৈতিক দলটির ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা জন্মদিন আজ। আমাদের রাজনৈতিক বিবর্তনের ধারায় যে দলটির অবদান সবচেয়ে বেশি সেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে। শুরুতেই দলটির নাম আওয়ামী লীগ ছিল না। জন্মকালে যে দলটির নাম ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, সেই দলটিই আজকের আওয়ামী লীগ। প্রথম ক...

আওয়ামী লীগের গৌরবময় ৭১ বছর এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ

প্রফেসর ডঃ মুনাজ আহমেদ নূরঃ  বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল অর্জন ও সংগ্রামের ইতিহাসে ৭১ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। যা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। আজ ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেওয়া বাংলাদেশের প্রাচীন এই রাজনৈতিক দলটি। দ...

আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা

৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের শীর্ষ নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধ...

বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও চোখের জলে ভেজা একটি চিঠি

অজয় দাশগুপ্ত: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র দু’ বছরও পূর্ণ হয়নি। কিন্তু এ সময়ের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল বাঙালিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও নানাভাবে বঞ্চিত। বিশেষভাবে প্রকট হয়ে উঠেছে রাষ্ট্র ভাষার প্রশ্ন। ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি প্রত্যাখান হওয়ার ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে হ...

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণার প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ

মনজুরুল আহসান বুলবুল: আমাদের সকল সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৗরবগাথা ইতিহাসেই স্বীকৃত। বয়সের হিসাব দেখলেও দেখি, শেখ মুজিব আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পথ চলা প্রায় হাত ধরাধরি করেই। ২০২০ সাল পালিত হচ্ছে মুজিববর্ষ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ হিসেবে, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পালিত হবে ২০২১ সালে, আগামী বছর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ন...

কোভিড-১৯-এর বাস্তবতায় ৬৬-র ছয় দফা

মামুন আল মাহতাবঃ উইকিপিডিয়া বলছে ৬৬’র ছয় দফা ছিল বাঙালির ‘ম্যাগনা কার্টা’ – মুক্তির সনদ। কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে শুধু পররাষ্ট্র আর প্রতিরক্ষার দায়িত্ব রেখে দু’টি প্রায়-স্বাধীন অঞ্চলের সমন্বয়ে পাকিস্তান পুনর্গঠনের প্রস্তাব ছিল ছয় দফায়। দু’টি অঞ্চলের মধ্যে অবাধে বিনিময়যোগ্য কিন্তু পৃথক মুদ্রার প্রচলন, আলাদা সেনাবাহিনী গঠন, বৈদেশিক বাণি...

ফিরে দেখা সাতই জুন

মাহফুজ উল্লাহঃ আজ সাতই জুন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক উজ্জ্বল দিন। বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম এ দিনটি সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না। জানবার কথাও নয়। তরুণদের তো আর দেশের ইতিহাস পড়ানো হয় না। যা পড়ানো হচ্ছে তা খণ্ডিত চিত্র, যা ঘটেছে তার বর্ণনা ও প্রতিক্রিয়া নয়। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে যে প্রজন্ম জড়িত সে প্রজন্মের প্রত্যেকের কাছেই ৭ জুন পরিচিত তারিখ। সমর্থন...

বাঙালির মুক্তির সনদ ‘৬-দফা’

বাঙালি জাতি চির দুর্বার, চির দুর্মর। যুগে যুগে তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছে। শক্তিবলে অসম হলেও তারা ব্রিটিশদের সামনেও কভু মাথা নত করেনি। পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দুঃশাসন,অত্যাচারে জর্জরিত বাঙালি দৃঢ়কন্ঠে অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে। ৫২’র হার না মানা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছে নিজেদের মাতৃভাষার অধিকার । ধীরে ধীরে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে গেছে স্বাধিক...

শান্তিরক্ষী দিবসে বঙ্গবন্ধুর স্মরনে ডাক টিকেট উন্মোচন করেছে জাতিসংঘ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরুপ এক সেট স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করল জাতিসংঘ। শনিবার (৩০ মে) জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের আন্তর্জাতিক দিবস ২০২০ (শান্তিরক্ষী দিবস) উপলক্ষে এই ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়। জাতিসংঘের পোস্টাল অ্যডমিনিস্ট্রেশন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়। স্মারক ডাকট...

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ছয় দফার তাৎপর্য

ড. এম এ মাননানঃ বঙ্গবন্ধুর পদচারণা এ দেশের অনেক কিছুতেই। সমতলের মেঠোপথ, হাওর-বাঁওড়ের কূলঘেঁষা সবুজ গ্রাম, সাগরপাড়ের মৎস্যজীবী অঞ্চল, পাহাড়ের অরণ্যভূমি, নদী সিকস্তির নিম্নভূমি, শহরের অলিগলি, কোথায় ছিল না তার পদচারণা। সদর্প পদচারণা ছিল রাজনীতির সুবিশাল ময়দানে, অর্থনীতির পরতে পরতে, শিল্পাঞ্চলের মেহনতি মানুষের আঙিনায়। অনেক পদচারণার অন্যতম ছিল পাকিস্তানি সামরিক শ...

ছয় দফা ॥ শহীদের রক্তে লেখা

তোফায়েল আহমেদঃ আজ ঐতিহাসিক ৭ জুন। ১৯৬৬-এর এই দিনে পাকিস্তানের তদানীন্তন সামরিক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এ দেশের গণতন্ত্রকে হত্যার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন। বাংলার গণমানুষ স্বাধিকার ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৭ জুন সামরিক শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বব্যাপী হরতাল পালন করেছিল। বাংলা মায়ের দামাল সন্তানরা এদিন তা...

স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম পদক্ষেপ

ড. এম এ মাননানঃ ২০২০ সালের ৭ জুন ৫৪তম ছয় দফা দিবস। প্রকৃতপক্ষে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের দুই অংশের সব বিরোধী দলের কনভেনশনের সাবজেক্ট কমিটিতে বঙ্গবন্ধু প্রথম তাঁর প্রণীত ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করার চেষ্টা করেন, যদিও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার বিরোধিতার কারণে এ উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। তবে তিনি ১১ ফেব্রুয়ারি ছয় দফার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন ঢাকা বিমানবন্দরে লাহ...

বঞ্চনার প্রবল প্রতিবাদের দিনে নতুন প্রত্যাশা

অজয় দাশগুপ্তঃ ৫৪ বছর আগে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন সে সময়ের অপেক্ষাকৃত ছোট পরিসরের ঢাকা ছিল অগ্নিগর্ভ। লোকসংখ্যা লাখ দশেক। শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের প্রাদেশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চার মাস দুই দিন আগে ৫ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের রাজধানী লাহোরে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্মেলনে বাঙালির প্রতি বঞ্চনার প্রতিকারের জন্য স্বায়ত্তশাসনের ছয় দফা কর্মসূচি প...

ছয় দফা থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা- মুক্তির পথে বাঙ্গালী জাতি

জানুয়ারি ১৯৬৬তাশখন্দে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের জন্য নিজেদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এর কিছুদিনের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মারা যান। ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে পাকিস্তানের বিরোধীদলীয় রাজনীতিকদের একটি সম্মেলনে ছয়...

বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা মুক্তির আলোকবর্তিকা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রোডম্যাপ মুলত রচিত হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা থেকেই। এটি ছিলো রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর দুরদর্শী একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের ইতিহাসে ছয় দফা এতোটাই গুরুত্ব বহন করে যে, এই কর্মসূচিকে বলা হয় বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা। বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থানের ইতিহাসে ছয় দফার ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধুর এই ছয় দফায় পাকিস্তান...

জুলিও কুরি বঙ্গবন্ধু

সুভাষ সিংহ রায়ঃ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের উত্তর প্লাজায় উন্মুক্ত চত্বরে সুসজ্জিত প্যান্ডেলে বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের বিশাল সমাবেশে বিশ্ব শান্তি পরিষদের তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রদান করেন। এরপর তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিব শুধু বঙ্গবন্ধু নন, আজ থেকে তিনি বিশ্ববন্ধুও বটে।&...

জুলিও কুরি শেখ মুজিব

মামুল আল মাহতাবঃ নিজের জীবদ্দশায় তার কালজয়ী অর্জনের জন্য বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড়ো স্বীকৃতি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় আর বাঙালির জাতির পিতার মর্যাদা লাভ। বঙ্গবন্ধুর অর্জনগুলোর যে বিশালত্ব, কোনো পদকের মাপকাঠিতে তা মাপার চেষ্টা বাতুলতা মাত্র। তার পরও একটি পদকের কথা ঘুরেফিরেই চলে আসে। আশির দশকের শেষ ভাগে আর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের করিডরে &...

  • «
  • »