ছয় দফা থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা- মুক্তির পথে বাঙ্গালী জাতি

জানুয়ারি ১৯৬৬তাশখন্দে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের জন্য নিজেদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এর কিছুদিনের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মারা যান। ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে পাকিস্তানের বিরোধীদলীয় রাজনীতিকদের একটি সম্মেলনে ছয়...

বঙ্গবন্ধু মে দিবসকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন

হীরেন পণ্ডিত ১৮৮৬ সালের ৪ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে দৈনিক ৮ ঘণ্টা শ্রমের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর গুলি চালিয়ে ১০-১২ জন শ্রমিককে হত্যার ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিশ্ব মে দিবস পালন করা হয়ে থাকে। তখন কাজ করতে হতো ১২-১৪ ঘন্টা। ১৮৮৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব সোশ্যালিস্ট গ্রæপস এবং ট্রেড ইউনিয়নস যৌথভাবে পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালনের সিদ্...

স্বাধীনতার ৫৩ বছরে ২৯ বছর ছিল জাতির জন্য দুর্ভাগ্যের: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে বিজয় এনে দেওয়া জাতির পিতার মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছিল বলে সম্ভব হয়। সেই সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলা, সবই তিনি করেছেন। এই জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধু নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি, এর ২৯ বছর ছিল জাতির দুর্ভাগ্যের। স্বাধীনতার পর পরই মাত্র তিন বছরে একটি স্বল্...

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা

১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৬ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। স্বাধীন দেশে জন্ম নেওয়া কোনো মানুষের পক্ষে পরাধীনতা কী তা কখনোই এবং কোনোভাবেই বোঝা সম্ভব নয়, এমনকি স্বাধীনতা কী তাও বোঝা সম্ভব নয়। কারণ, তারা পরাধীনতার কষ্ট কখনো বুঝতে পারেনি। যারা স্বাধীনতার জন্য স্বজন হারিয়েছেন, তারা কিছুটা হয়তো অনুধাবন করতে পারেন দিনটিকে। তাও কী বুঝতে...

তুলে ধরতে হবে একাত্তরের বর্বরতার ইতিহাস

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের আগ পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী ৯ মাস ধরেই চালিয়েছিল মানবেতিহাসের বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ। নারী, শিশুসহ প্রাণ গিয়েছিল ৩০ লাখ বাঙালির। কয়েক লাখ নারী তাঁদের সম্ভ্রম হারিয়েছিলেন। গ্রামের পর গ্রাম, নগর, জনপদ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে এত অল্প সময়ে এত বেশিসংখ্যক মানুষ হত্যার ঘটনা দ্বিতীয়টি নেই। পাকিস্তানি সেনা...

লোকদেখানো মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে গৌরব ও অহঙ্কারের বিষয় হলো একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। কোনো জাতির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে শরিক থাকা, সামান্যতম অবদান রাখতে পারা যে কোনো ব্যক্তির জন্য গর্বের ব্যাপার। আমাদের গৌরবের জায়গা হলো এ দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি এবং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। শোষণ-বঞ্চনামুক্ত একটি উদার, গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়েই এদেশের মানু...

দেশের স্বাধীনতার মর্মার্থ একমাত্র আওয়ামী লীগের কাছেই সুরক্ষিত

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ মহকুমার টুংগীপাড়া গ্রামে বাবা শেখ লুৎফুর রহমান ও মাতা শেখ সায়রা খাতুনের কোল আলোকিত করে জন্ম নিয়েছিলেন ছোট্ট শিশু 'খোকা'। যার শৈশব-কৈশোর কাটে পিতা-মাতার আদর -স্নেহও ভালোবাসায় টুঙ্গিপাড়ায় মধুমতি নদীর তীরে। গোপালগঞ্জে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করে, কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন। ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে ...

অগ্নিঝরা ২৩ মার্চঃ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন বঙ্গবন্ধু

২৩ মার্চ, ১৯৭১। পাকিস্তান দিবসে ঢাকার প্রেসিডেন্ট ভবন ও সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ছাড়া বাংলাদেশে আর কোথাও পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা ওড়েনি। অসহযোগ আন্দোলনের এই দিনে মুক্তিপাগল মানুষ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা হাতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের দিকে দৃপ্ত পদক্ষেপে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে এগিয়ে যায়। আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সদস্যদের সামর...

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটি ঐতিহাসিক ধানমন্ডি বত্রিশস্থ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। গতকাল ১৭ মার্চ রবিবার বিকেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান, মান...

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন : স্বাধীনতার সূর্যোদয়, বাঙ্গালীর চিরস্থায়ী উৎসব

"মা, তুমি কি আমার দুঃখ বুঝিতে পারো?" "এই দুঃখের দিন কতদিন যাবে?" পরাধীনতায় আবদ্ধ বাঙ্গালির জাতির শতবছরের ইতিহাস ছিলো সংগ্রাম, ত্যাগ, রক্তক্ষয়, এবং আশার এক জটিল ও বেদনাদায়ক ইতিহাস। প্রাচীনকালে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন রাজাদের শাসনামলে বাঙালিরা কিছু সমৃদ্ধির স্বাদ গ্রহণ করলেও, বারবার বৈদেশিক আক্রমণ তাদের জীবনে দুর্ভোগ বয়ে আনে। হুণ, তুর্কি, মঙ্গোল, আফগানদের আক্...

১৭ মার্চ : মহামানবের উত্তরাধিকার স্মরণ করার দিন

বাংলাদেশের জনগণ যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন পালন করছে তখন সকলের উচিত তাঁর দর্শনকে আমাদের বাস্তব জীবনে মেনে চলা। তাঁর অদম্য চেতনা, স্বাধীনতার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব কেবল বাংলাদেশের জন্মই দেয় নি, দেশের শাসন ব্যবস্থার দর্শনের ভিত্তিও স্থাপন করেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না; তিনি স্বাধীনতা...

২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২, রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদক ২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষা আন্দোলনের জন্য বারবার কারাবরণ করলেও তার অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান, সেই অবদানটুকু কিন্তু মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।&...

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, 'আমরা দেখলাম, বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে জাতীয় ভাষা করার বড় ষড়যন্ত্র চলছে। পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ এবং তমদ্দুন মজলিশ প্রতিবাদ করে এবং বাংলা ও উর্দু উভয়কেই রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানায়। আমরা মিটিং করে প্রত...

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল গৌরবের

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরপরই বাঙালিরা বুঝেছিল পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙালিদের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে দেবে না। ষড়যন্ত্র করে, হামলা-মামলা দিয়ে বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে তারা দমিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। ভাষার জন্য সংগ্রাম, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, শিক্ষার জন্য সংগ্রাম, বৈষম্য অবসানের জন্য সংগ্রামের পথেই এসেছিল ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান। স্বাধীনতা আন্দোলনের সুদীর্ঘ পথপরিক্...

১০ই জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর ‘বিশাল জনসভা’

আগামীকাল ১০ জানুয়ারি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি পাকিস্তানের কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করে ১৯৭২ সালের এই দিনে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ঐতিহাসিক ১০ই জানুয়ারি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ধারাবা...

তোমরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারো, একজন বঙ্গবন্ধু সৃষ্টি করতে পারো না

হীরেন পণ্ডিত: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি না জন্মাতেন, তাহলে স্বাধীন বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্ম কি হতো? এর একটিই মাত্র জবাব 'না'। বঙ্গবন্ধু তাঁর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা সম্পর্কে কিছু কথা বলতেন বিভিন্ন সময় প্রিয়জন ও ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকদের। বলতেন তাঁর পরিকল্পনার কথা। অনেকে বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্ন করতেন, আপনি ক্ষমতায় কতদিন থাকবেন। এই প্রশ্ন শুনে বঙ্গবন্ধু হেসে বলতেন, &ls...

বাংলার মানুষকে ভালোবাসার নির্মম প্রতিদান দিলো বেঈমান মোশতাক-জিয়া : সজীব ওয়াজেদ

নৃশংস কায়দায় ও ইতিহাসের বর্বরোচিত উপায়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা খন্দকার মোশতাককে দায়ী করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় জাতীয় শোক দিবসে (১৫ আগস্ট) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক...

বেদনায় ভরা দিন

শেখ হাসিনাঃ তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। দূরের মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসছে। এমন সময় প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজ। এ গোলাগুলির আওয়াজ ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ি ঘিরে, যে বাড়িতে বসবাস করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এক বিঘা জমির উপর খুবই সাধারণ মানের ছোট্ট একটা বাড়ি। মধ্যবিত্ত মানুষের মতই সেখানে বসবাস করেন দেশের রা...

শোধ করতে হবে জাতির পিতার রক্তের ঋণ

শ ম রেজাউল করিম: অদম্য আত্মবিশ্বাস, আত্মমর্যাদাবোধ, মানবিক ঔদার্য, নির্মোহ আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধির আহ্বান আর অগাধ দেশপ্রেম বঙ্গবন্ধুকে বিশ্বের অদ্বিতীয় ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতায় পরিণত করেছিল। তিনি বাঙালি জাতির জন্য অন্ধকারে একমাত্র আলোর দিশারি হয়ে উঠেছিলেন। তিনি হয়ে উঠেছিলেন শোষিতের কণ্ঠস্বর। ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট বঙ্গবন্ধুকে প্র...

জুলিও কুরি পদক ; বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ৫০ বছর পূর্তি

মানিক লাল ঘোষঃ রাজনৈতিক জীবনে কখনো সংঘাত চাননি তিনি। কখনো সহ্য করেননি মানবতার অবমাননা। নিজের জন্য না ভেবে আমৃত্যু লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন গণমানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। তিন আমাদের অহংকার, বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্বের মুক্তিকামী নিপীড়িত মেহনতী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন তিনি। নিপীড়িত মানুষের মুক্তির এই দিশারী আজীবন ...