বিশেষ নিবন্ধ

বাংলাদেশ কি তবে দেউলিয়ার পথে?

বাংলাদেশ একটি গভীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইউনুস এবং তারেক রহমানের বিদেশীএজেন্ডা বাস্তবায়নের মাধ্যমে। দ্রব্যমূল্য, বেকারত্ব, জ্বালানি সংকট, ব্যাংকিং অস্থিরতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের জীবন হয়ে উঠেছে সংগ্রামের নামান্তর। এই চাপ সাময়িক নয়, বরং এটি গভীর কাঠামোগত সংকটের শুরু।

১০ এপ্রিল ১৯৭১ঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

১০ই এপ্রিল, ১৯৭১ সালের এই দিনে গঠিত হয় বাংলাদেশর প্রথম সরকার যা মুজিবনগর সরকার হিসাবে পরিচিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ৭০ এর নির্বাচনের রায়কে ভিত্তি করে এই সরকার গঠন করা হয় এবং ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১ শপথ গ্রহণ করে।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে জাতিসংঘের চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা, দলটির রাজনৈতিক বক্তব্য ও সমাবেশের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিধি-নিষেধ, গণগ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু বিচারের অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। গত ২৯ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলাক...

বাংলাদেশের ভোটারবিহীন নির্বাচন এবং আস্থার সংকট

১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ গণভোটকে সরকার ঐতিহাসিক ও শান্তিপূর্ণ বললেও ভোটার উপস্থিতি, গণভোটের অস্বাভাবিক পরিসংখ্যান, ব্যালট বিভ্রান্তি, আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা, ভোট কেনাবেচা ও গণমাধ্যমের ওপর চাপ—এসব নিয়ে বৈধতা ও গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ।

বাংলাদেশের ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন: গণতন্ত্র অস্বীকৃত, চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদকে ক্ষমতায়নের পথ

বাংলাদেশের ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনকে “গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন” হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ,যাদের প্রতি প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটারের সমর্থন রয়েছে,নিষিদ্ধ করে ইউনূস সরকার নিশ্চিত করেছে যে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ কার্যত নির্বাচনের বাইরে থাকবে। যে নির্বাচন সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিককে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়, তা গণতন্ত্র নয়,তা ...

ছবিতে দেখুন

ভিডিও