জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য কি ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা নাকি একটি রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া?

২০২৪ সালের জুলাইয়ের সহিংস রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থার ভিত্তি ভেঙে পড়ার পর আজ পূর্ণ দুই বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। একটি নির্বাচিত সরকারকে অপসারণ করা হয়েছিল "গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন", "প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন" এবং "অর্থনৈতিক মুক্তি"র প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কিন্তু আজ সেই স্বঘোষিত আন্দোলনের তথাকথিত বিজয়ের প্রকৃত চিত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে নগ্নভ...

জুলাই জঙ্গি হামলায় নিহতের সংখ্যার রাজনীতি ও জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের ইউনুসপ্রীতি

  জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের অফিসের ( OHCHR ) একটি তথ্য অনুসন্ধানী দল ( Fact Finding Team ) ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ থেকে সীমিতভাবে সরেজমিনে পরিদর্শন করে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের তথাকথিত আন্দোলনের উপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বাংলাদেশের ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় তা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রচারিত হয়। যেহেতু ব...

⁨অধ্যাদেশ নং ৩০, ২০২৫: তথাকথিত জুলাই আন্দোলন– ইতিহাস বিকৃতির নতুন ষড়যন্ত্র

২০২৫ সালের জুলাইয়ে জারি করা অধ্যাদেশ নং ৩০ একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার দলিল, যা ২০২৪ সালের মিডিয়া-নির্ভর, বিদেশি প্রভাবিত ঘটনাকে "অভ্যূত্থান" নামে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। হাজার হাজার পুলিশ হত্যা করে, রাষ্ট্রীয় সম্পদে আগুন দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে দেশের মানুষ কে হুমকির মুখে ফেলে দেয়। আমরা এটিকে রাষ্ট্র ও সংবিধানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখি। এই অধ্যাদেশের...

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় কর্তৃক বাংলাদেশে জুলাই আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টের বিস্তারিত প্রতিবাদ

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লংঘন বিষয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। আওয়ামী লীগ মনে করে, রিপোর্টটি সম্পূর্ণরূপে পক্ষপাত দুষ্ট, একপেশে ও মনগড়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে। গণতন্ত্রের বিপরীতে একটি অবৈধ ও অসাংবিধানিক জঙ্গি গোষ্ঠীর রাজনৈতিক এসাইনমেন্ট হিসেবে ওএইচসিএইচআর এ...

ছবিতে দেখুন

ভিডিও