তন্ময় আহমেদ: ৭ নভেম্বর ১৯৭৫। বাংলাদেশের ইতিহাসের আরও একটি কালো অধ্যায়। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা, ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর ও জাতীয় চার নেতাকে জেলের মধ্যে বর্বরভাবে হত্যার পরেও থামেনি স্বাধীনতাবিরোধীদের রক্তপিপাসা। নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ৭ নভেম্বর সেনানিবাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নির্বিচারে হত্যা করা হয় মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাদের। এ...
এম ইনায়েতুর রহিম: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ গণপরিষদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ‘সংবিধান বিল’ হিসেবে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। দিনটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক। ১৯৪৭-এ দেশ বিভাগের পর পূর্ব বাংলার মানুষ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সাংবিধানিক ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লাগাতার রক্তাক্ত সংগ্রাম করেছে। দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং নয় মাসের একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, ল...
ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরীঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৈশোর থেকে চারিত্রিক দৃঢ়তার দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। যে কেউ তার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থ পড়লেই এ কথার সত্যাসত্য জানতে পারবেন। একজন অসামান্য ব্যক্তি হয়ে ওঠার নজির ওই সময় থেকেই তার মধ্যে দেখতে পাওয়া গেছে। কলকাতার শিক্ষাজীবন নানা কৌণিকে তার নেতৃত্বের মেধাকে ঋদ্ধ করে। বিশেষ করে হোসেন শহীদ সোহরাওয়...
কর্নেল (অব) কাজী শরীফ উদ্দিনঃ বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আজ জেলহত্যা দিবস পালন করছে। ১৯৭৫ সালের এইদিনে তৎকালীন আওয়ামী লীগের চার শীর্ষ নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে ঢাকার কারাগারে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের পরেই তখন এ চার নেতা ছিলেন দলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শেখ মুজ...
হীরেন পন্ডিতঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান এই চারটি নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে উজ্জ্বল নক্ষত্রসম। এই চারজনকে ছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা হয়তো সম্ভব না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ১৯৭১ এ স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অপরিসীম ভূমিকা রেখেছেন এই চারজন। বাংলার ইতিহাসে অনেক গৌরবময় অধ্য...