বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র ফাঁস, ২২ জানুয়ারি নির্বাচনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ

1003

Published on অক্টোবর 1, 2022
  • Details Image

বিএনপি-জামায়াত কর্তৃক প্রায় দেড় কোটি ভুয়া ভোটার তৈরি এবং দলীয় ক্যাডারদের মাধ্যমে সাজানো নির্বাচনের ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ায় সতর্ক অবস্থান নেয় জাতিসংঘ। ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি বিএনপি-জামায়াত কর্তৃক একচেটিয়া নির্বাচনের জন্য সব ধরনের কারিগরি সহায়তা বন্ধের ঘোষণা করেছে জাতিসংঘের মহাসচিব বান-কি-মুন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ঢাকার অফিসটিও বন্ধ করে দেয় তারা। ইউরোপীয়ন ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও এই সাজানো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ না করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন এবং ইউরোপীয়ন ইউনিয়নের বর্হিঃসম্পর্ক বিষয়ক কমিশনার ড. ফারেরো ওয়াল্ডনারের বরাত দিয়ে, ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি প্রথম আলো পত্রিকায় এসব তথ্য জানানো হয়। এছাড়াও ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি রেনাটা লক এক বিবৃতিতে বলেন, সব দলের অংশ ছাড়া ২২ জানুয়ারি যে নির্বাচনের আয়োজন হচ্ছে তাতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর ফলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সেনাদেভবিষ্যৎ ভূমিকার ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

এর আগে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে অবৈধভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ দখল করেছিলেন বিএনপির মদতপুষ্ট রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ। এরপরেই নির্বাচন কমিশনারকে পাশ কাটিয়ে অসাংবিধানিকভাবে সচিবদের রদবদল এবং রিটার্নিং কর্মকতাদের বদল করেন তিনি। সংবিধান অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন ছাড়া এসব কাজ আর কেউ করার এখতিয়ার রাখেন না।

এছাড়াও তারেক রহমানের পরামর্শে ও ইয়াজউদ্দিনের নির্দেশে দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ সমর্থকদের গণগ্রেফতার আতঙ্কময় পরিবেশ সৃষ্টি করে পুলিশ। বিএনপি-জামায়াতের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয় ১ কোটি ২৩ লাভ ভুয়া ভোটার। এসব ফাঁস হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সাজানো ও সহিংস নির্বাচনের বিরোধিতা করে। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে ১১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ।

এরমধ্যেই ছবিসহ ভোটার তালিকা এবং স্বচ্ছ ব্যালটবাক্সে সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের দাবিতে সোচ্চার হয় আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলগুলো। ফলে জনগণের চাপ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামেন ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে পড়ায় ভুয়া ভোটারের বিষয়টি স্বীকার করে একটি বিবৃতি দেন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন। তিনি বলেন, ত্রুটিপূর্ণ ভোটার দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত