অজয় দাশগুপ্তঃ ৩০ মে, ১৯৫৭। আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় অফিস, সিম্পসন রোড। শেখ মুজিবুর রহমান, আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ, তাজউদ্দীন আহমদ, মনসুর আলীসহ অন্যান্য নেতা উপস্থিত। মুজিব- সকলকে উদ্দেশ্য করে- একটু আগেই আমি পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগপত্র মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। সকলে করতালি। তাজউদ্দীন- মুজিব ভাই, সাংবাদিকরা হাজির হয়েছে। আ...
সুলতান মাহমুদ শরীফঃ ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্ধিরা গান্ধী সারাবিশ্ব ঘুরে ঘুরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পক্ষে সমর্থণ আদায় করার জন্য, পূর্ব বাংলায় নৃশংসভাবে গণহত্যার অবসানের জন্য, পশ্চিমাবিশ্বের মোড়লদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে, একাত্তরের অক্টোবরের শেষ দিনে দেশে ফিরে গেছেন। এইসময় তিনি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হীথ ও পররাষ্ট্র বিষয়ে ...
অজয় দাশগুপ্তঃ পাকিস্তানের পূর্বাংশে কেমন করে পালিত হলো প্রথম হরতাল? তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের কী ভূমিকা ছিল এ কর্মসূচি সফল করে তোলায়? পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট যে হরতাল ডাকা হয়েছিল, কলিকাতা শহরে তা বাস্তবায়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ওই হরতালের পেছনে তৎকালীন বাংলা প্রদেশের মুসলিম লীগ সরকারের সক্রিয় সমর্থন ছিল। কিন্তু ১১ মার্চ-এর...
অজয় দাশগুপ্ত: তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মুসলিম লীগকে জমিদার-নবাব-খান বাহাদুরদের কব্জা মুক্ত করে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য সচেষ্ট থাকেন। তিনি ছাত্র সংগঠন ও আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ পুনর্গঠন করেন। একইসঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে শুরু করেছেন। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ভাষা আন্দোলনের পুরোভাগে থাকে...
অজয় দাশগুপ্তঃ কলিকাতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পড়তে গিয়েছিলেন ১৯৪২ সালে। সেখানে তিনি উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি হন ইসলামিয়া কলেজে। থাকতেন বেকার হোস্টেলে। গোপালগঞ্জে পড়াশোনাকালেই যুক্ত হয়েছিলেন মুসলিম ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে। একইসঙ্গে মুসলিম লীগের কাজেও যুক্ত হয়ে পড়েন। ১৯৩৮ সালে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ও শ্রমমন্ত্রী হোসন শহীদ সোহরাওয়ার্দি সরকার...