বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে বারবার একটি নাম ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে ফিরে আসে—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ভাষার অধিকার থেকে শুরু করে স্বাধীনতার আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্র গঠন এবং উন্নয়ন অভিযাত্রা—প্রতিটি অধ্যায়ে এই দলটি কখনও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে, কখনও আবার ইতিহাসের কঠিনতম সংকট মোকাবিলা করেছে। সাতাত্তর বছরের এই দীর্ঘ যাত্রাপথ ক...
বাঙালি, বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগ এক সুতোয় গাঁথা। একটি থেকে আরেকটি অবিচ্ছেদ্য। আওয়ামী লীগের আবির্ভাব না হলে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে এগিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেত। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ সালে বাঙালির প্রাণের দাবি ছয় দফা উত্থাপন, উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়, একাত্...
রক্তিম সংগ্রাম আর মহিমান্বিত অর্জনের সমান্তরাল রেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এক রাজনৈতিক মহাকাব্যের নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ থেকে ২০২৬, চলমান এই দীর্ঘ ৭৭ বছরের যাত্রা প্রমাণ করে, সংগঠনটি কেবল রাজনীতির মাঠে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাঙালির মন-মননে এটি ‘একটি অনুভূতির নাম’। গণমানুষের এই অনুভূতির তাগিদেই দলটি বারবার ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠে শক্...
২৩ জুন। বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৪৯ সালের এই দিনে রাজধানীর রোজ গার্ডেনে জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে এই দলটি কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবেই নয়, বরং বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতা এবং আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল কারিগর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আজ যখন আমরা দলটির ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছি,...
বাংলার মাটি, মানুষের অধিকার এবং বাঙালির আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত এই দলটি কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং বাঙালি জাতির স্বাধিকার, গণতন্ত্র, ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার দীর্ঘ সংগ্রামের অন্যতম প্রধান ধারক ও বাহক। পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই যখন পূর্ব বাংলার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা উ...