তাপস হালদারঃ শেখ মুজিবুর রহমান কিশোর বয়স থেকেই সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে অধ্যয়নকালেই তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে তিনি প্রথমবার কারাবরণ করেন। সেই থেকে শুরু। যেখানেই অন্যায়, সেখানেই শেখ মুজিব। ১৯৪৭-এ দেশভাগের পরই তিনি বুঝেছিলেন, এ দেশে বাঙালিদের ভাগ্য পরিবর্তন হবে না। এ জন্যই তিনি সহকর্মীদের নিয়ে ’৪৮ সালে ...
ড. নূরুন নবী: উচ্চশিক্ষার্থে জাপানে পাঁচ বছর অবস্থানকালে আমাদের যে বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি জাপানিদের গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং আগ্রহ। জাপানিদের বঙ্গবন্ধুর প্রতি এত শ্রদ্ধা, ভালোবাসার অভিব্যক্তি দেখে একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করতাম। আমাদের জাপানে অবস্থানকালে মোটামুটি সব মহলে জানাজান...
ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪০ সালের গোড়ায় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৬ সালে কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈত...
ড. প্রণব কুমার পান্ডে: ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে অপরিসীম তাৎপর্য বহন করে। কারণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দিন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আমাদের সবার উচিত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের উৎপত্তির ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত হিসেবে তার জন্মের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া। ...
স্কোয়াড্রন লিডার (অবঃ) সাদরুল আহমেদ খান: আজ ১৭ মার্চ। ১৯২০ সালের এদিনে বাংলার মাটিতে জন্ম নিয়েছিলেন দেশপ্রমী সাহসী নেতা, তার নাম শেখ মুজিবুর রহমান। তার নেতৃত্বে বাংলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানকে পরাজিত করে, বাংলাদেশ নামের দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। তিনিই বাঙালিকে একটি জাতি হিসেবে আত্মপরিচয়ের সুযোগ করে দিয়েছিলেন, তিনি গোটা জাতিকে নিজ পরিবারে...