অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন

1105

Published on ডিসেম্বর 9, 2018
  • Details Image
  • ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বয়স্কভাতা খাতে জন প্রতি মাসিক ২৫০ টাকা হারে ২০ লক্ষ বয়স্ক ব্যক্তি/ উপকারভোগীর জন্য বাজেট বরাদ্দ ছিল  ৬০০ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা  ৪০ লক্ষ উপকারভোগীর  জন্য জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে বাজেট বৃদ্ধি পেয়ে ২৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। 
  • ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা খাতে জন প্রতি মাসিক ২৫০ টাকা হারে ৯ লক্ষ বিধবা, স্বামী নিগৃহীতা নারীর জন্য বাজেট বরাদ্দ ছিল ২৭০ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ১৪ লক্ষ জনের জন্য বরাদ্দ ৮৪০ কোটি টাকা। বিগত ১০ বছরে (২০০৯-১৮)  বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা খাতে  ৫২৬৮.২২ কোটি টাকা বিতরণ  করা হয়েছে ।
  • ২০০৮-০৯ অর্থবছরে অস্বচ্ছল  প্রতিবন্ধীভাতা খাতে জন প্রতি মাসিক ২৫০ টাকা হারে ২ লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য বাজেট বরাদ্দ ছিল ৬০ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু মাসিক ৭০০ টাকা হারে ১০ লক্ষ জনের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে  ৮৪০ কোটি টাকা। বিগত ১০ বছরে   অস্বচ্ছল  প্রতিবন্ধীভাতা খাতে  ৩২৬৭.৬১  কোটি টাকা  প্রদান করা হয়েছে।
  • ২০০৮-০৯ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি খাতে ১৩ হাজার প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য বাজেট বরাদ্দ ছিল ৬ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে  ১ লক্ষ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য বাজেট ৮০ কোটি  ৩৭ লক্ষ টাকা। বিগত ১০ বছরে (২০০৯-১৮)  প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি খাতে  ১১৭১.৫৩  কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে ।
  • দেশব্যাপী ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র স্থাপন এবং প্রতিটি কেন্দ্রে অটিজম রিসোর্স সেন্টার চালু, যা থেকে বছরে প্রায় ৪ লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সরাসরি সেবা পাচ্ছে।
  • ৩২টি মোবাইল থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
  • চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা প্রদান কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সারাদেশে ৩০,০০০ জন চা শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে শুর হয়ে  ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত  মোট ৪৬ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে ।
  • প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর (হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর) জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ  করা হয়েছে এর মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ৭৬ হাজার ব্যক্তি প্রশিক্ষণ, বিশেষ ভাতা এবং শিশুরা উপবৃত্তি পাচ্ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট বরাদ্দ ২৭ কোটি টাকা এবং মোট উপকারভোগী ৩৫,৯৩২ জন।
  • পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত দুস্থ, অসহায়, অবহেলিত, অনগ্রসর ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠিকে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে পল্লী সমাজসেবা (আরএসএস) কার্যক্রম, পল্লী মাতৃকেন্দ্র (আরএমসি), দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং আশ্রয়ণ কার্যক্রম এ চারটি কর্মসূচি পরিচালনা করে যাচ্ছে। শুর হতে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত সর্বমোট পুঞ্জিত বিতরণ ৮৭০ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। শুর হতে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত উপকারভোগীর  সংখ্যা ৩৫ লক্ষ ৪১ হাজার ৭৮১ জন।
  • পথশিশুদের অধিকার সুরক্ষার জন্য স্থায়ীভাবে ১২টি শেখ রাসেল প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। যাতে ২৩টি আবসস্থলে ২০১২-১৩ অর্থ বছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত  প্রায় ৯০৪৯ জন (৪৪৩৩ জন বালক ও ৪৬১৬ জন বালিকা) শিশুকে সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে।
  • গ্রামীন দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ৪১৯ টি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে রোগকল্যাণ সমিতির মাধ্যমে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম স¤প্রসারণ করা হয়েছে।

উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

  • বিগত ১০ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় মোট ৩২টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে যাতে জিওবি অনুদান ৬৩৫.৮৪ কোটি টাকা ।
  • ৮টি শিশু পরিবার এর হোস্টেল ভবন নবনির্মিত হয়েছে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ৩৭টি হোস্টেল নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য আরও ৩৭টি  হোস্টেল নির্মাণ চলমান রয়েছে ।
  • প্রতিটি জেলায় সমাজসেবা কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ১ম পর্যায়ে ২২টি জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্স নির্মাণ চলমান রয়েছে ।
  • বিগত ১০ বছরে (২০০৯ হতে ২০১৮) মোট উপকারভোগীর সংখ্যা =  ৪১৬.৮৪ লক্ষ জন এবং অর্থ বিতরণের পরিমাণ = ১৯১৪০.২৯ কোটি টাকা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ 

  • ২৩০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ। ৪২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দরপত্র আহবান।
  • ১০০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ। ২২০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন।
  • সরকারি অর্থায়নে হত দরিদ্রদের বসতবাড়িতে ২,১৫,৬৫৯টি সোলার প্যানেল স্থাপন।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত