শিল্প ও বাণিজ্যের সোনালী সময়

1173

Published on ডিসেম্বর 9, 2018
  • Details Image

শিল্প মন্ত্রণালয়

  • দেশে কৃষকদের নিকট স্বল্প মূল্যে ও দ্রুততম সময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বার্ষিক ৫ লক্ষ ৮০ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন গ্রানুলার ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন শাহজালাল ফার্টিলাইজার স্থাপন।
  • সার সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন এবং সহজলভ্য করতে বিভিন্ন জেলায় নতুন ১৩টি বাফার গুদাম নির্মাণ কাজ চলছে।
  • বাংলাদেশ হতে গলগণ্ড রোগ এবং আয়োডিনের ঘাটতিজনিত রোগ নির্মূল করার জন্য সারা দেশের ২৬৭টি লবণ ক্র্যাশিং মিলে আয়োডিন সংমিশ্রণ প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে।
  • রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শতরঞ্জি শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে ১৫০ জনকে ৪৫ লক্ষ টাকা ঋণ বিতরণ।
  • পাবনা জেলার হেমায়েতপুর এলাকায় ৫০ একর জমিতে পাবনা শিল্পনগরী স্থাপিত। কর্মসংস্থান হবে ৪ হাজার লোকের।
  • রাজধানীর হাজারীবাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ট্যানারি শিল্পসমূকে একটি পরিবেশবান্ধব স্থানে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও সাভারে চামড়া শিল্পনগরী স্থাপন।
  • ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউসিয়ায় ২০০ একর জমিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত দেশের প্রথম বিশেষায়িত শিল্প পার্ক ‘অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) শিল্পপার্ক’ স্থাপিত হচ্ছে।
  • কুমারখালি, কুষ্টিয়াতে বিশেষ শিল্প এলাকা স্থাপন, গোপালগঞ্জ, মিরসরাই ও বরগুনায় নতুন শিল্প নগরী স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। বিসিক শিল্প নগরী, ঝালকাঠি এবং রাজশাহী শিল্প নগরী স¤প্রসারণ এবং ধামরাই বিসিক শিল্প নগরী স¤প্রসারণ এর কাজ চলেছে ।
  • এসএমই এর মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও বেকারত্ব হ্রাসের লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে ২০০ কোটি টাকার এবং এসএমই পণ্যের টেকসই বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩০০ কোটি টাকার অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর।
  • অবৈধ ও নিম্নমানের পণ্যের উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ বন্ধে বিএসটিআই কর্তৃক ভ্রাম্যমান আদালত ও সার্ভিল্যান্স টিম পরিচালনার মাধ্যমে সর্বমোট ৫৪৯.৬৭ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা।
  • বিগত ১০ বছরে বিসিকের আওতায় সরকারিভাবে ২৪.৫০ মেট্রিকটন ও বেসরকারিভাবে ৪৯৫৯.৫০ মেট্রিকটন মধু উৎপাদিত হয়েছে।
  • স্থানীয়, যৌথ উদ্যোগে ও ১০০% বিদেশী বিনিয়োগে মোট ১৫,৮৮৬টি শিল্প প্রকল্প নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে সর্বমোট ৩০,২৮,০৭৩ জনের কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষঃ

  • ২০০৯-২০১৭ সময়ে বেপজায় ৪৫,২৪১.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়, পূর্ববর্তী ৯ বছরে ২০০১-২০০৮ সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১৩,০৮৭.৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • ৯ বছরে বেপজায় ১৭৯টি নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু।
  • বেপজা ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় ১১৫০ একর জমির উপর আনুষ্ঠানিকভাবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের যাত্রা শুরু।
  • বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম ইপিজেডে হাসপাতাল এবং বাকি ৬টি ইপিজেডে ‘ইপিজেড মেডিকেল সেন্টার’ স্থাপন।
  • ইপিজেডসমূহে ১৭৫টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র রয়েছে এখানে শিশুদের যত্নের পাশাপাশি খেলাধুলা, সুষম খাদ্য ও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
  • দেশের ৫টি ইপিজেডে ‘বেপজা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
  • ইপিজেডে মহিলা শ্রমিকদের নিরাপত্তায় মহিলা আনসারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জোনে ফায়ার স্টেশন, পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়েছে।
  • ঢাকা ও চট্টগ্রাম ইপিজেডে স্থাপিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কর্ণফুলি ইপিজেডের শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহসহ উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাণিজ্যঃ

  • ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে দেশের রপ্তানি ছিল ১৪.১১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ১৯৯টি দেশে ৭৪৪টি পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৩৬.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • ২০০৬ সালে ১৯টি দেশে বাণিজ্যিক উইং ছিল, বর্তমানে ২১টি দেশে বাণিজ্যিক উইং কাজ করছে।
  • দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরী পোশাক। ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে দেশে তৈরী পোশাক রপ্তানি ছিল ১০.৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-২০১৮ সালে সে রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩০.৬১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • ২০০৬ সালে চা-এর উৎপাদন ছিল ৫৩.৪১ মিলিয়ন কেজি। ২০১৬ সালে চা-এর উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৮৫.০৫ মি. কেজি।

বস্ত্র ও পাটঃ

  • বিগত জোট সরকারের আমল থেকে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিজেএমসি’র ৫টি জুট মিল চালু করা হয়েছে।
  • সুতা ও রং আমদানির ক্ষেত্রে তাঁতীরা শুল্কমুক্ত হার সুবিধা ভোগ করছেন এবং বিটিএমসি হতে সুতা সরবরাহ পাচ্ছেন।
  • বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। গাইবান্ধা, নওগাঁ, চাঁপাইবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ফরিদপুর, টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, নোয়াখালী, মানিকগঞ্জ, কক্সবাজার-এ ১টি করে নতুনভাবে ১০টি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়েছে।
  • ২০০৯ খেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত শতভাগ দেশীয় চাহিদা পূরণপূর্বক পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে ৮৫৯০.১৪ মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।
  • পাট থেকে পলিথিনের বিকল্প ‘সোনালি ব্যাগ’, ভিসকস, কম্পোজিট জুট টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস, চারকোল, পাট পাতার পানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পাট শিল্পে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে।
  • ৩ লক্ষ পাটবীজ উৎপাদনকারী এবং ১২ লক্ষ পাট উৎপাদনকারী পাট চাষীকে বিনামূল্যে পাটবীজ, সার, কীটনাশক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়েছে।
  • পদ্মা সেতুর পাশে মাদারিপুর জেলার শিবচরে ১০০ একর জমির উপর তাঁতপল্লী স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নয়ো হয়ছে।
  • বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড, রাজশাহী কর্তৃক ৩৯০.৫ লক্ষ তুঁতচারা উৎপাদন করে রেশম চাষীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত