বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনাঃ বাস

231

Published on মে 27, 2020
  • Details Image

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গৃহিত স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং সমন্বয়ের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ কর্তৃক চীন ও অন্যান্য দেশের সংশ্লিষ্ট কারিগরি নির্দেশনা অনুসরণ করে 'বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ক্রমান্বয়ে চালু করার সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থাপনা ও পেশার জন্য কারিগরি নির্দেশনা' প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বাস

১. জরুরি পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রত্যেকের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা এবং যানবাহনগুলিতে মাস্ক, গ্লাভস ও জীবাণুনাশক সরবরাহ করতে হবে।
২. কর্মচারীদের স্বাস্থ্য মনিটরিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রতিদিন তাদের স্বাস্ত্যের অবস্থা রেকর্ড করতে হবে এবং যারা অসুস্থ বোধ করেন তাদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. বায়ুর তাপমাত্রা এবং যানবাহনের গতির ওপর ভিত্তি করে যথাযথ বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যানের ক্ষেত্রে নিয়মিত পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে
৪. প্রতিবার চলাচলের আগে যানবাহন পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে। সিট কভারগুলি নিয়মিত ধুয়ে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
৫. যানবাহন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নিয়মিত আসন পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
৬. যাত্রী এবং কর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করতে হবে। যেমন মাস্ক পরিধান করা এবং হাত ধোয়া।
৭. যাত্রীদের টিকিট ব্যবহার বা স্ক্যান করে মূল্য প্রদানের ব্যবস্থা করা গেলে ভালো। যানবাহনে ওঠানামার সময় পরস্পরের মাঝে ১ মিটারেরও বেশি দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।
৮. যানবাহনে রেডিও, ভিডিও, পোস্টার ইত্যাদির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রচার করতে হবে।
৯. গাড়িতে ভিড় কমানোর জন্য যাত্রীর সংখ্যা অনুযায়ী ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন যানবাহন ব্যবস্থা করা।
১০. যদি কোন নিশ্চিত কোভিড-১৯ রোগী চিহ্নিত হয় তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পুরো টার্মিনাল জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত