বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনাঃ প্রবীণ নাগরিক

226

Published on মে 27, 2020
  • Details Image

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গৃহিত স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং সমন্বয়ের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ কর্তৃক চীন ও অন্যান্য দেশের সংশ্লিষ্ট কারিগরি নির্দেশনা অনুসরণ করে 'বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ক্রমান্বয়ে চালু করার সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থাপনা ও পেশার জন্য কারিগরি নির্দেশনা' প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রবীণ নাগরিক

১. প্রবীণ ব্যক্তিদের বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করতে হবে। হাত ধোয়ার পর হ্যান্ড- ক্রীম বা লোশন ব্যবহারে মনোযোগী হতে হবে।
২. নিজের ব্যবহৃত জিনিসপত্র যেমন তোয়ালে অন্য কারো সাথে অদল বদল করা যাবেনা।
৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং পুষ্টিগুণ সম্বদ্ধ সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনের নিয়ম মেনে সুস্থভাবে বেচে থাকার প্রয়াস করা উচিত।
৪. নিয়মিত শরীরের তাপমাত্রা এবং রক্তচাপ পরীক্ষা করে দেখতে হবে। সন্দেহপ্রবণ লক্ষণ যেমন জ্বর, কাশি দেখা দিলে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে এবং অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
৫. একান্ত প্রয়োজন না হলে ঘরেই অবস্থান করা শ্রেয়। জনবহুল এলাকা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। যে কোন জনসমাগম যেমন অনুষ্ঠান, চায়ের দোকানে আড্ডা ইত্যাদি পরিহার করতে হবে।
৬. বাহিরে যাওয়ার সময় নিজের নিরাপত্তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যেমন মাস্ক পরিধান করা
৭. যারা ফুসফুস অথবা হার্টের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন তাদেরকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে যথাযথ উপায়ে মাস্ক পরিধান করে বাইরে বের হতে হবে। উক্ত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিগণের ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবেনা।
৮. যে কোন স্বাস্থ্য সমস্যায় চিকিৎসার জন্য অথবা পরামর্শের জন্য নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়া যেতে পারে অথবা দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ সেবনে অগ্রসর হয়ে বারবার চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকা উত্তম সমাধান।
৯. নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়ার সময়েও অবশ্যই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে অর্থাৎ মাস্ক পরিধান করতে হবে। রোগীর বদলে পরিবারের অন্য সদস্যও ওষুধ আনা নেওয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা করতে পারে।
১০. যে সকল বয়স্ক রোগীদের সর্বক্ষণ যত্তের প্রয়োজন সেক্ষেত্রে তাদের পরিচর্যাকারীদেরকেও নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হতে হবে। যতটা সম্ভব ঘরেই অবস্থান করতে হবে। বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে অবশ্যই নিজস্ব সুরক্ষা সামগ্রী তথা মাস্ক পড়ে বাহিরে যেতে হবে।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত