জিয়াউর রহমানের নাম বিশ্বাসঘাতক হিসেবে লেখা থাকবে

595

Published on সেপ্টেম্বর 2, 2021
  • Details Image

বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের নাম সব সময় বিশ্বাসঘাতক ও খুনি হিসেবে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।  

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাটকো, বিদেশি চ্যানেলের ডিস্ট্রিবিউটর, আকাশ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমানের নাম বাংলাদেশের উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত থাকবে। এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম সব সময় জড়িত থাকবে। জিয়াউর রহমান বিশ্বাসঘাতক ও খুনি হিসেবে পরিচিত থাকবে। সেই হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে জিয়ার নাম সব সময় জড়িত থাকবে। কারণ যে পরিমাণ বিশ্বাসঘাতকতা, যে পরিমাণ হঠকারিতা, যে পরিমাণ খুনের রাজনীতি জিয়াউর রহমান করেছেন-এটি বাদ দিয়ে তো বাংলাদেশের ইতিহাস হবে না। মির্জা ফখরুল সাহেব কথাটা সেভাবে বললে সঠিক হতো।

দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারই প্রধান কাজ বলে ফখরুলের মন্তব্য প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে গণতন্ত্র হরণ করা হয়েছিল, সেটি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ’৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। যদি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে তখনকার আধা সামরিক সরকার, এরশাদ সরকারে পতন না হতো, খালেদা জিয়া ক্ষমতাহীন প্রধানমন্ত্রী থাকতেন। যদি সংসদে বিল পাস করা না হতো যে, রাষ্ট্রপতির শাসন থেকে সংসদীয় পদ্ধতির শাসনের বিল পাস না হতো। আওয়ামী লীগ সহযোগিতা করেছিল বিধায়, আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সেটা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে যদি গণতন্ত্র হরণ করা হয়ে থাকে সেটা জিয়াউর রহমান করেছে। জিয়া বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। পরবর্তীতে দেশে তিনি সামরিকতন্ত্র চালু করেছে। তারপর মার্শাল ডেমোক্রেসি চালু করেছিল। দেশে যদি গণতন্ত্র হরণ করে থাকে সেটি জিয়াউর রহমান করেছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের দল করে তারা যখন এই কথা বলে তারা কীভাবে সংসদে আছেন। দেশের সংসদ কীভাবে আছে। গণতন্ত্র নাই গণতন্ত্র নাই সকাল বিকেল তিনবেলা কীভাবে বলে যদি গণতন্ত্র না থাকে। মির্জা ফখরুল যে উঁচু গলায় কথা বলেন এবং সমালোচনা করেন, তাতেই প্রমাণিত হচ্ছে যে দেশে গণতন্ত্র আছে এবং বাক স্বাধীনতাও আছে।  

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত