জাতির পিতার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর উদ্যোগে নানা আয়োজন

709

Published on সেপ্টেম্বর 4, 2021
  • Details Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর উদ্যোগে ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ বিকাল ৩ টায় নাবিস্কো মোড়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও হতদরিদ্র অসহায় ৩০০ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ৮০০ মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার ও ১০০ মানুষের মাঝে মশারী বিতরণ করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুর সাথে হাত মিলিয়ে মীরজাফর বিশ্বাসঘাতক খুনি মোস্তাক ও জিয়া পরিকল্পিত ভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে। খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারী করে জাতির পিতার হত্যার বিচারের পথরুদ্ধ করে। জাতির পিতা হত্যার সাথে জড়িত পলাতক খুনি এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের এখনো মুখোশ উন্মোচন করা হয়নি। জাতির পিতার পলাতক খুনি ও ২১ শে আগস্টের খুনিদের দ্রুত বিচারের রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে জাতিকে কলংকমুক্ত করার আহবান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন শোকের মাস আমাদের বেদনার মাস। আগস্ট, ডিসেম্বর, মার্চ মাস আসলেই স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি চক্রের গাত্রদাহ শুরু হয়। সারা বাংলাদেশে হাজার হাজার শোক সভা করে সেই অপশক্তিকে ধিক্কার জানানো হয়, তাদের অপকর্মের কথা বলা হয়। শোককে শক্তিতে পরিণত করার মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নতুন প্রজন্মের সামনে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরবো এই হোক আমাদের শপথ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু। তিনি বলেন জিয়াউর রহমান যদি বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত না থাকতেন তাহলে কেন সেদিন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করেছিলেন, কেন স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধী রাজাকার আব্দুল আলীম, শাহ আজিজদের গাড়ীতে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা লাল সবুজের পতাকা তুলে দিয়েছিলেন, রাজাকারের সাথে তাদের এত কিসের প্রেম ছিল, কেন খুনীদের যোগ্যতা না থাকা সত্বেও বিভিন্ন দূতাবাসে চাকুরী দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছে, এই প্রশ্নের জবার তারা দিতে পারবে না। হত্যা ক্যু ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছিল খুনি জিয়াউর রহমান। তার ছেলে তারেক জিয়া ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জন নেতাকর্মীকে নৃশংস ভাবে হত্যা করে বিদেশে পালিয়ে আছে। তিনি খুনি জিয়ার মরণোত্তর বিচারও গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তারেক জিয়াকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসীর দাবী জানান। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মেগা প্রকল্প সমূহ বাস্তবায়নের পথে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বের কারণে করোনা মহামারীর সময়েও কেউ না খেয়ে থাকেনি। তিনি সকলের নিকট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চান। জননেত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে, ইনশাল্লাহ।

আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আমজাদ খান, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইসহাক মিয়া, কেন্দ্রীয় গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক কেএম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান নাঈম, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব শফি উল্লাহ শফি, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য গোলাম রাব্বানী।

উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য আবু জাফর। সভাপতিত্ব করেন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ খোকা ওরফে সাগর, সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত