জাতীয় শোক দিবস: আগস্ট জুড়ে যশোর সদরে আলোচনা সভা, লক্ষাধিক প্যাকেট গণভোজ বিতরণ

1355

Published on আগস্ট 30, 2021
  • Details Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে যশোর সদর উপজেলা ও পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল। আগস্ট মাস জুড়ে ধারাবাহিকভাবে তার উদ্যোগে শতাধিক স্থানে আলোচনা সভার আয়োজনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে মাসব্যাপী ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। 

আনোয়ার হোসেন বিপুল জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত একটি সোনার বাংলা বিনির্মান ছিলো তাঁর স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে স্বপরিবারে হত্যা করে। কেন তাকে হত্যা করা হয়? জাতির পিতার কী স্বপ্ন ছিলো? তার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে? এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষকে জানাতে যশোর সদর উপজেলার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তারা আলোচনা সভার আয়োজন করেন।

জানা যায়, যশোর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ এর পরামর্শে আগস্ট মাসের শুরু থেকেই আনোয়ার হোসেন বিপুল আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেন। উপজেলার হৈবতপুর, লেবুতলা, ইছালী, নওয়াপাড়া, উপশহর, কাশিমপুর, চুড়ামনকাটি, দেয়াড়া, আবরপুর, চাঁচড়া রামনগর, ফতেপুর, কচুয়া, নরেন্দ্রপুর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়নের গ্রাম থেকে গ্রামে ধারাবাহিকভাবে এই কর্মসূচি পালন করেন তিনি। কর্মসূচিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ছাড়াও গণভোজ বিতরণ করা হয়। সবমিলে আগস্ট মাস জুড়ে আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে প্রায় দেড় লাখ প্যাকেট গণভোজ বিতরণ করা হয়েছে। 

আনোয়ার হোসেন বিপুল আরো জানান, তার উদ্যোগে অনুষ্টিত শতাধিক আলোচনা সভায় ৩৪টি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন যশোর-৩ আসনের সংষদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগদান করে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ যেমন সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরেন, তেমনি বর্তমান প্রধামন্ত্রীর কর্মকান্ডের মাধ্যমে বিশ্বে কিভাবে বাংলাদেশ স্থান করে নিচ্ছে তার ব্যাখ্যা করেন। বক্তব্য দেন বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা নিয়েও। একই সাথে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের সব খুনি ও নেপথ্যের খলনায়কের বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। 

জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আলীমুজ্জামান মিলন বলেন, "জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের স্বরণে আমরা আলোচনা, দোয়া ও গণভোজের আয়োজন করি। প্রতিদিন সবমিলে আগস্ট মাস জুড়ে আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে প্রায় দেড় লাখ প্যাকেট গণভোজ বিতরণ করা হয়েছে। রাত-দিন আমরা সদর উপজেলার গ্রাম থেকে গ্রামে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছি"।

এই মাসব্যাপী কর্মসূচিতে তার সাথে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে ফারুক আহমেদ কচি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি দাউদ হোসেন দফাদার, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, জেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আলীমুজ্জামান মিলন, জেলা যুবলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক শেখ আলাউদ্দিন মুকুল, সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান বাবলু, জেলা শ্রমিকলীগের শ্রম ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সেলিম রেজা পান্নু, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সিদ্দিক, জেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মাজহারুল ইসলাম মাজহার, শহীদুজ্জামান শহীদ, কাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিদুর রহমান শহীদ, দেয়াড়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক জাফর ইকবাল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শরীফ মাসউদ হিমেল, সাবেক শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক রেযোয়ান হোসেন মিথুন, জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎ, সাধারণ সম্পাদক আহসানুল করিম রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওবাইদুল ইসলাম রাকিব, সদও উপজেলা শাখার সভাপতি আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, শহর শাখার সভাপতি আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক তছিকুর রহমান রাসেল প্রমুখ।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত