421
Published on জুন 22, 2026২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি দলের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত শামছুল হকসহ সকল নেতৃবৃন্দকে, জাতীয় চার নেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের। গভীর কৃতজ্ঞতা দলের নেতা, কর্মী, সমর্থকসহ সকল শুভানুধ্যায়ীকে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস ও বাংলাদেশের সৃষ্টি অবিচ্ছিন্ন গৌরবগাথা। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর শাসকগোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়াশীল ও বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের প্রতিবাদে জন্ম আওয়ামী লীগের। প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদক ও পরবর্তীতে প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহাকাব্যিক নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ হয়ে ওঠে বাঙালির অধিকার আদায়ের একমাত্র গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম। এই দলের নেতৃত্বেই পাকিস্তানি উপনিবেশবাদকে পরাজিত করে অর্জিত হয় স্বাধীন এবং সার্বভৌম বাংলাদেশ।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ লড়াই এবং সংগ্রামের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। অর্থনীতিসহ সকল খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে দলের অগণিত নেতাকর্মী নজিরবিহীন নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার। শত শত নেতাকর্মী দেশের অর্জিত পরিচয় রক্ষার লড়াইয়ে প্রাণ দিচ্ছে।
আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে আমি দেশবাসী ও দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে বলব, কোনো দমন-পীড়নের কাছে মাথা নোয়াবেন না। ইতিহাস সাক্ষী, আওয়ামী লীগকে কখনও স্তব্ধ করা যায়নি। যে দল বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছে, জনগণের অধিকার ও সমর্থন নিয়ে সেই দল আবারও দেশকে অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করবে এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করবে।
বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।